small savings

ওয়েবডেস্ক: পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিপিএফ) অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা সর্বজনীন নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। তার সঙ্গেই চলে আসে কর ছাড়ের সুবিধা। যে কারণে পিপিএফ সমস্ত শ্রেণির মানুষের কাছেই এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে পিপিএফ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণে সরকারি নিয়মগুলিও কঠোর ভাবে পালন করতে হবে। প্রয়োজন রয়েছে সচেতনতারও। তা না হলে সরকারি নিয়মের গেরোয় আটকে সঞ্চিত অর্থ থেকে একাধিক সুবিধা লাভের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলিই।

এক ব্যক্তি, একটাই অ্যাকাউন্ট

সরকারি নিয়মে কোনো একটি নির্দিষ্ট নামে একটি মাত্র অ্যাকাউন্টই চালু রাখা যেতে পারে। ব্যাঙ্ক এবং পোস্ট অফিসে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খোলা যায়, ফলে সেই সুয়োগ কাজে লাগিয়ে একই নামে একাধিক পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুললে লাভ থেকে বঞ্চিত হওয়াটাই নিয়মমাফিক। সে ক্ষেত্রে একটি অ্যাকাউন্টকেই মান্যতা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট অনিয়মিত হিসাবে দেখে সেখানে গচ্ছিত টাকার উপর কোনো সুদ দেওয়া হয় না।

সঞ্চয়ের সর্বাধিক পরিমাণ

এক বছরে সর্বাধিক ১.৫ লক্ষ টাকা একটি পিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা যায়। যে টাকা আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করমুক্ত হিসাবে বিবেচ্য। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি এই ঊর্ধ্বসীমার উপর টাকা জমা করেন সে ক্ষেত্রে আইনের প্যাঁচে পড়তে হবে। শুধুমাত্র ১.৫ লক্ষ টাকার উপরই সুদ পাবেন গ্রাহক। পাশাপাশি কর ছাড়ের বিষয়টিও বাঁধা থাকবে ওই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার উপর।


আরও পড়ুন: ফিক্সড ডিপোজিট করার আগে এই ১০ ব্যাঙ্কের সুদের হার দেখে নিন

জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট

দু’জনের নামে কখনোই পিপিএফ অ্যাকাউন্ট চলে না। যদি কোনো কারণে একাধিক ব্যক্তির নামে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খোলা হয় তা হলে সেই অ্যাকাউন্ট অনিয়মিত হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যাবে। শুধুমাত্র নমিনি হিসাবে দ্বিতীয় ব্যক্তিকে রাখা যায়, জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন