sensex bse

বিশেষ প্রতিনিধি: বুধবার সকালে সেনসেক্স অথবা নিফটির কাণ্ডকারখানা দেখে বিনিয়োগকারীদের কেউ কেউ ঘাবড়ে গিয়েছেন বলে শেয়ার বাজারে খবর চাউর হয়ে গিয়েছে। আশঙ্কার কারণ যে একেবারেই কিছু নেই, তেমনটাও নয়। মাত্র ছ-মাসের মধ্যে নিফটি বা সেনসেক্স যে আকাশ ছোঁয়া উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে, তাতে কোন সময় কী হয়, তা নিয়ে একটা চাপা আতঙ্ক কাজ করে থাকতে পারে বিনিয়োগকারীদের মনে। বিশেষ করে, ইন্ট্রা ডে বা শর্ট টার্মের খেলুড়েদের মনে সব সময়ের জন্য এই টানাপোড়েন চলতেই থাকে। তবে বুধবার সকালে সেনসেক্স বা নিফটির নেতিবাচক ওপেনিং বিনিয়োগকারীদের সেই আশঙ্কার গোড়ায় জল সিঞ্চন করেছে। কিন্তু বাজারের মতিগতি মোটেই সেই আশঙ্কাকে জিইয়ে রাখতে দিচ্ছে না।

বাজার এখন যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে তাতে কোনো একদিন কোনো এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আড়াইশো-তিনশো পয়েন্ট পড়ে গেলে কী হবে? না, তেমন কিছুই পরিবর্তন ঘটবে বলেই মনে হয় না। নিফটির কথাই ধরা যাক না। গত ছ’মাসে এই সূচক বেড়েছে এক হাজার পয়েন্ট। এত অল্প সময়ের মধ্যে এই চমকপ্রদ উত্থাত অতীতে কবে দেখা গিয়েছে, তা রেখচিত্র না দেখে মনে স্মরণ করতে পারছেন না কেউ-ই। নিপটি ১১০০০ পয়েন্টের সীমা রেখা ভেঙে দিয়ে এগিয়ে চলেছে তার কাঙ্ক্ষিত ১১৫০০ পয়েন্টের দিকে। আর বুধবার সেই লক্ষ্যেই ১১১১০ পয়েন্ট ছুঁয়ে এসে সে যদি আরও দেড়শো পয়েন্ট নেমে যায়, আগামী পাঁচটা ট্রেডিং ডে-তে তা হলে খুব একটা চিন্তিত হওয়ার কিছু আছে বলে মনে হয় না। একই ভাবে সেনসেক্সও ৩৬ হাজারের উপরে ঘোরাফেরা করছে। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া যায়, কেন্দ্রীয় বাজেটের আগে, অনুভূতির টানাপোড়েনে সে সাড়ে সাতশো থেকে হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়, তা হলে মনে হয় ন আহামরি কোনো বিপর্যয় তাকে বলা যেতে পারে। কিন্তু বাজেট নিয়ে এবার শেয়ার বাজারর একটা উদাসীনতার লক্ষণ বহিপ্রকাশ পাচ্ছে, সেই ব্যাপারটাকেও এড়িয়ে চলা যায় না।

বাজারের যে কোনো সূচকের উত্থান বা পতনকে এক-দু’দিনের নিরিখে বিচার করা মোটেই কাম্য নয়। হাতে কম করে পাঁচটা ট্রেডিং ডে রাখতে হয়। আর বুধবারের অবনমন যখন ঘণ্টা খানেকের মধ্য়েই মেরামত হয়ে গেল, তখন আর দু:শ্চিন্তার কী কারণ থাকতে পারে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন