Income Tax

ওয়েবডেস্ক: নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী সংস্থার থেকে ফর্ম-১৬ না পেয়ে মনে হতেই পারে, আয়কর জমা বোধহয় জটিল হয়ে গেল। কিন্তু মোটেই তা নয়। ফর্ম-১৬ ছাড়াও আপনি আয়কর জমা করতে পারবেন নীচের পদ্ধতি অনুসরণ করে।

  • সারা বছরের সমস্ত পে স্লিপগুলিকে জড়ো করুন। এমনকি বছরের মাঝখানে যদি কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করেন, সে ক্ষেত্রে উভয় ক্ষেত্রের পে স্লিপ একত্রিত করুন।
  • এ বার নিজের সারা বছরে প্রাপ্ত গ্রস স্যালারির যোগফল নির্ণয় করুন। যদিও নিয়োগকারীর তরফে জমা করা প্রভিডেন্ড ফান্ডের অর্থ আয়করের আওতায় পড়লেও নিজের প্রদেয় অংশটি থাকবে বাইরে।
  • কতটা আয় ডিডাকটেড হবে তা জেনে নিন ফর্ম ২৬এএস থেকে। আপনার নিয়োগকারী যে ফর্ম-১৬ দিয়ে থাকেন, সেখানে এই ডি়ডাকটেক অর্থের পরিমাণ থাকে। আবার ফর্ম ২৬এএস থেকেও নির্ণয় করা যায়।
  • যদি পরিবহণ ভাতা বা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে থাকেন, সেখান থেকে ৩৪,২০০ টাকা ছাড় পাবেন। সে ক্ষেত্রে পরিবহণে ১৯,২০০ টাকা এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় রয়েছে। যদিও ২০১৯-২০ সালে এর যে কোনো একটির উপর ছাড় মিলবে।
  • ভাড়াবাড়িতে থাকলে সেই ভাড়াবাবদ অর্থ, সন্তানের শিক্ষা, হোস্টেলের খরচ বা ফুড কুপনের জন্য খরচ করা টাকার উপরও ছাড় পাওয়া যায়।
  • আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় নির্দিষ্ট বিনিয়োগের উপর ছাড় পাওয়া যাবে। ছাড়ের পরিমাণ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • অন্যান্য আয়ের তালিকা তৈরি করুন, যদি তা থেকে থাকে। মানে যদি কোনো জায়গায় পার্ট টাইম কাজ করে থাকেন, বা চাকরির পাশাপাশি কোনো ছোটোখাটো ব্যবসা করে থাকেন, সেই আয়ের যোগফল নির্ণয় করুন।
  • এ বার মোট আয়কর যোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ণয় করুন।
  • এর পর আপনার করের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয় ভাবেই নির্ধারিত হয়ে যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here