sensex bse

এ বার হয়তো বাজার নিজেকে সংকুচিত করবে। কয়েক সপ্তাহ আগে  বার বার ঘুরে ফিরে আসা গুজরাত নির্বাচনের পরেও যে কোনো সূচকই বেমালুম ঊর্ধ্বগামী হয়ে উঠেছে। ট্রেড পণ্ডিতরা ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে বহুবিধ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু তার বেশির ভাগই বিফলে গিয়েছে। বল হয়েছিল, গুজরাত নির্বাচন এমনই একটি বিষয় যে ফলাফল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে সেনসেক্স এক হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। অতীতেও না কি সে রকমটাই হয়েছে। আমরা কিন্তু প্রথম থেকেই বলে এসেছি, বাজার চলবে তার মতোই। তাকে গুজরাত নির্বাচন সাময়িক প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে। তাই বলে চিরস্থায়ী কোনো প্রতিফলন ঘটাতে পারবে না। আদতে হয়েছে-ও তাই। বাজার তো হু-হু করে উপরের দিকে উঠে চলেছে। কিন্তু এই ঊর্ধ্বগমনেরও তো একটা সীমা রয়েছে?

সেই সীমা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সময় মেনে আসে না। সাদামাটা ভাবে বলতে গেলে এ কথাই বলতে হবে, বাজারের সংকোচনের সময় আসে তার প্রকৃতিগত কারণ থেকেই। নিফটি ১০৫০০-এর উপরে লাফ দিয়েছিল। কিন্তু সেখানে স্থায়ী হতে পারেনি। আবার নিফটি কিন্তু পুরনো বছরের শেষের দু-তিন ধরে ১০৩০০-এর নীচেও নামছে না। এ কথা তো নতুন করে বলার নয়, ১০০০০ পার করে আসার পর নিফটি ১০৩০০-এর কাছাকাছি একটা জায়গায় কিছু দিনের জন্য থিতু হতে চাইবে। স্বভাবতই, এখন নিফটি আবার হয়তো ওই ১০৩০০-এর টিকি ছুঁতে নীচের দিকে নামবে।
সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, বাজারের এই রকম পরিস্থিতিতে এমন কিছু স্টক কেনা যেতে পারে যাকে ন্যূনতম এক মাস সময় দিতে হবে। এমনই একটি স্টক কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড। এখন দর ২৭০ টাকার আশেপাশে। আজ দেখুন, একটু নীচে নামলেই বিনিয়োগের কিছুটা অংশ ও দিকে বাইপাস করা যায় কি না? আগামী এক মাসের মধ্যে এই স্টক ৩০০ টাকা ছাড়ালে অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকবে না।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন