Investment

ওয়েবডেস্ক: সাম্প্রতিক শেয়ার বাজারের পতনের ধারাকে ‘রক্তগঙ্গা’র সঙ্গে তুলনা করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। বুধবার সামান্যতম আশা জাগিয়েও বৃহস্পতিবার শুরুতে প্রায় ১,০০০ পয়েন্টের অবনমন ধরা পড়ে সেনসেক্সে। বেলা বাড়ার পর নিজের অবস্থান কিছুটা পুনরুদ্ধার করলেও এ দিন সেনসেক্সে পতন হয়েছে ৭৫৯.৭৪ পয়েন্ট। যা শতকরা হিসাবে ২.১৯ শতাংশ। একই ভাবে অন্য এক সূচক নিফটিও ২.১৬ শতাংশ অবনমনের শিকার হয়ে খুইয়েছে ২২৫.৪৫ পয়েন্ট। কিছুটা হতাশা কমিয়ে ১০,২০০-র সামান্য উপরে থিতু হয়েছে নিফটি৫০। কিন্তু কী কারণে এই অস্বাভাবিক পতনের শিকার ভারতীয় শেয়ার বাজার?

বিশ্ববাজার

আমেরিকায় বাজার শেষ ট্রেডিং ডে-তে প্রবল অবনমনের মুখে পড়েছিল। পর দিন এশিয়ার বাজার একে একে খুলতে শুরু করতেই সেই রেশ এসে পড়তে থাকে। আর সেই রোগেই আক্রান্ত হয়ে যায় ভারতীয় বাজারের সেন্টিমেন্ট। বিশেষ করে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সে দেশের প্রধান ব্যাঙ্কের সুদের হার বৃদ্ধি নিয়ে জোরালো মন্তব্য করায় বাজারের হাল বেহাল।

৫টি টিপস, মেনে চললে ধনী হওয়া নিশ্চিত

বিমুখ বিদেশি বিনিয়োগ

একাধিক আতঙ্কে হোক বা লাভ তুলে নেওয়ার মানসিকতা থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারী আর্থিক সংস্থাগুলি ভারতের বাজার থেকে এক লপ্তে কোটি কোটি টাকা তুলে নিচ্ছেন। চলতি মাসের শেষ ৭টি কেনা-বেচার দিনে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ দেশের শেয়ার বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন ১৪,০৯৭ কোটি টাকা। গোটা সেপ্টেম্বর জুড়ে তারা তুলে নিয়েছিল ১০,৮২৪ কোটি টাকা।

টাকার দাম

ঘরোয়া কারণ হিসাবে উঠে আসছে ডলারের তুলনায় টাকার দামের রেকর্ড পতন। এক ডলারের তুলনায় টাকার দাম ৭৪-এর উপরে উঠে যাওয়ায় সর্বকালীন সর্বনিম্ন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। তার সঙ্গে ক্ষতও। কারণ, ৭৪-এর উপর থেকে নেমে আসার কোনো লক্ষণ আপাতত চোখে পড়ছে না। মার খাচ্ছে বৈদেশিক বাণিজ্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন