Bank Cash counter
প্রতীকী ছবি, লাইভমিন্ট থেকে

ওয়েবডেস্ক:  ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালান্স না রাখার জন্য ব্যাঙ্ক গ্রাহককে আর্থিক জরিমানা করে থাকে। মনে প্রশ্ন জাগে কি, এই টাকা কোথায় যায়?

ব্যাঙ্কিং বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ঋণখেলাপিদের ছাড় দিতে গিয়ে বা সমঝোতা করতে গিয়ে ব্যাঙ্কের একটা বিপুল অঙ্কের টাকা হিসাব বহির্ভুত ভাবে খরচ হয়। সেই টাকাটাই উঠে আসছে আমার-আপনার কাছ থেকে ন্যূনতম ব্যালান্স না রাখার ‘অপরাধে’ আদায় করা টাকা থেকেই।

২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে দেশের ২১টি ব্যাঙ্ক মিলিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করেছে ৫,০০০ কোটি টাকা। পুরোটাই ওই ন্যূনতম ব্যালান্স না রাখার জরিমানা হিসাবে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাঙ্কগুলি অনাদায়ী ঋণের ঘাটতি মেটাতে পারে এই ধরনের জরিমানা থেকে প্রাপ্ত অর্থ থেকেই। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে অনাদায়ী ঋণ খাতে লোকসান করতে হয়েছে ৮৫,৩৬১ কোটি টাকা। 

 গত বছর আইআইটি মুম্বইয়ের অধ্যাপক আশিস দাস তথ্য-পরিসংখ্যানের সাহায্যে তুলে ধরেছিলেন, কী ভাবে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকের কাছ থেকে ন্যূনতম ব্যালান্স না রাখার জন্য। লাগাম ছাড়া জরিমানা আদায় করছে। তাঁর অঙ্ক থেকেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, ন্যূনতম ব্যালান্সের তুলনায় প্রায় ১০০ শতাংশ জরিমানা অর্থ আদায় করছে কোনো কোনো ব্যাঙ্ক।

বিভিন্ন ব্যাঙ্কের জরিমানার অর্থ বিভিন্ন পরিমাণের। আবার শহর এবং গ্রামের জন্য পৃথক হারে জরিমানা করে থাকে ব্যাঙ্কগুলি। তবে পুরো প্রক্রিয়া যেহেতু ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অনুমোদনে চলছে, সে কারণে এ ব্যাপারে গ্রাহকের বিশেষ কিছু করার নেই।

আরও পড়ুন: বছরে ৩৫ শতাংশ রিটার্ন, আর কে দেবে?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন