unauthorised electronic transaction

ওয়েবডেস্ক: কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অবৈধ ইলেক্ট্রনিক্স লেনদেন সংঘটিত হয়ে থাকলে, তার দায় কার? ব্যাঙ্ক না কি যে ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে তাঁর? এ ব্যাপারে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নির্দিষ্ট মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে ব্যাঙ্কগুলির উদ্দেশে। যেখানে দায়বদ্ধতার বহর বিবেচনা করা হবে অবৈধ লেনদেনের সমগ্র ঘটনাটির সম্পূর্ণ তদন্তের পরেই। আপাত ভাবে এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের দায়বদ্ধতাকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি-

শূন্য দায়বদ্ধতা


এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অবৈধ ভাবে লেনদেন সংঘটিত হলে যদি দেখা যায়, গ্রাহক বা ব্যাঙ্কের কোনো ভূমিকা ছিল না, তা হলে গ্রাহকের দায়বদ্ধতা শূন্য হিসাবেই গণ্য করা হবে। এবং অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হওয়া পুরো অর্থই গ্রাহককে ফিরিয়ে দেবে ব্যাঙ্ক। সচরাচর পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণেই এই ধরনের লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অননুমোদিত এই লেনদেনের জন্য গ্রাহককে তিনটি কাজের দিনের মধ্যেই বিষয়টি ব্যাঙ্কের গোচরে নিয়ে আসতে হবে।

নির্দিষ্ট দায়বদ্ধতা


যে ক্ষেত্রে গ্রাহকের উদাসীনতার জন্য অননুমোদিত লেনদেন সংঘটিত হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে কোনো দায় নেবে না ব্যাঙ্ক। আবার গ্রাহক বা ব্যাঙ্ক, উভয়ের মধ্যে কারও সম্পর্ক না থাকলে অননুমোদিত লেনদেনের ঘটনা সাতটি কাজের দিনের মধ্যে ব্যাঙ্কের কাছে জানানো হল অ্যাকাউন্টের ধরনের উপর নির্ভর করে ৫-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দায়স্বীকার করবে ব্যাঙ্ক।

পর্ষদ অনুমোদিত দায়বদ্ধতা


যদি অননুমোদিত লেনদেনের বিষয়টি সাতটি কাজের দিনের মধ্যে রিপোর্ট করা হয় তবে গ্রাহকের দায় ব্যাঙ্কের পর্ষদ অনুমোদিত নীতি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। ব্যাঙ্ক গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে ১০টি কাজের দিনের মধ্যে সেই টাকা ফিরিয়ে দেবে। এই ধরনের অভিযোগ পাওয়ার ব্যাঙ্ক সেটির সমাধান করতে এবং গ্রাহকের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে ৯০ দিন সময় নিতে পারে।


পড়তে পারেন: সেবির কড়া নজরদারি সত্ত্বেও ছদ্মবেশি দালালরা শেয়ার বাজারকে চিটফান্ডের মতোই ব্যবহার করছে

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন