SIP

ওয়েবডেস্ক: হ্যাঁ, বর্তমানের বাজারদরে মাত্র ১,০০০ টাকার তেমন একটা ওজন আছে বলে অনেকেই মনে করেন না। কিন্তু নির্দিষ্ট পদ্ধতি এই ১,০০০ টাকাকে নিয়মিত কাজে লাগাতে পারলে অর্থাৎ নির্দিষ্ট জায়গায় বিনিয়োগ করতে পারলে, লাভের বহর শুনে অনেকেই ভিরমি খেতে পারেন। এই লাভের বহর আবার নির্ভর করছে বিনিয়োগের মেয়াদের উপর।

আপনার বয়স যদি ৩০-এর আশেপাশে হয়, এবং প্রতিমাসে হাতে এই ১,০০০ টাকা নগদ যদি বাঁচাতে পারেন, তা হলে ভবিষ্যৎটাকে অনেকটাই শক্তপোক্ত করে তোলা সম্ভব। এই ৩০-এর গল্প এই কারণেই , কারণ কর্মজীবনে প্রবেশের পরে এই সময়টাতে গড় যুবক-যুবতীকে সংসারের জন্য ব্যয় করতে হয় মাসিক উপার্জনের প্রায় ৬০ শতাংশ অর্থ। ফলে অনায়াসে হাতে থাকতে পারে বাকি ৪০ শতাংশ অর্থ। যা বিনোদন-সহ অন্যান্য কাজের পাশাপাশি চলে যেতে পারে সঞ্চয়ের দিকে। এখনকার দিনে  হাতে থাকা কাঁচা বা নগদ টাকা কেউ বাড়িতে ফেলে রাখেন না। কোনো না কোনো সঞ্চয় প্রকল্পে তা বিনিয়োগের ঢল বেশি।

বলে রাখা ভালো, এই প্রতিবেদন কিন্তু নির্দিষ্ট ভাবে সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা এসআইপি-র প্রতিনিধিত্ব করার তাগিদে নয়। তবুও বলতে হয়, বর্তমান বিনিয়োগ পদ্ধতিগুলির সুবিধার নিরিখে এসআইপ-তে এই মাসিক ১,০০০ টাকার বিনিয়োগ ভবিষ্যতে কয়েকগুণ বেশি লাভের আশাকে অধিক মাত্রায় বজায় রাখতে সক্ষম। মাত্র ১০টি বছর সময় দিয়ে দেখুন।

এসআইপি ছাড়াও আরও অনেক ধরনের বিনিয়োগ মাধ্যম এখন বাজারে চালু রয়েছে। কিন্তু সেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রতি মাসে সমপরিমাণ অর্থ বা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা জমা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসআইপি-তে সেই ঝামেলা পোহাতে হয় না। ইচ্ছে করলেই গচ্ছিত অর্থ তুলেও নেওয়া সম্ভব। তা হলে সঞ্চয়ের উপর ধাপে ধাপে আয় বাড়াতে কেন নয় এসআইপি?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here