indian soldier

ওয়েবডেস্ক: প্রতিবেশী দেশগুলির কাছ থেকে একের পর এক আঘাত পেয়ে ভারত সরকার নিজের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্দির হার অনেকটাই বাডিয়ে নিয়েছে গত ১০ বছরে। সুইডেনের একটি সমীক্ষক সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১৬ অর্থাৎ ১০টি আর্থিক বছরের বাজেটে ভারতের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধির হার ৫৪ শতাংশ। তবে এই হার যে প্রতিবেশী চিনের কাছেও হার মানছে, সে তথ্যও উঠে এসেছে তাদের সমীক্ষায়।

এ বারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দের হার ৭.৮১ শতাংশ বৃদ্ধি করায় তা পৌঁছেছে ২.৯৫,০০০০০ কোটি টাকায়। এই বৃদ্ধির কারণ যে পাকিস্তান এবং চিন সীমান্তে ক্রমশ উদ্গত সমস্যা, তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, এই বরাদ্দ অর্থ যে শুধু দেশের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য সাজসরঞ্জাম আমদানিতে ব্যয় হবে, তা নয়। এই বরাদ্দ থেকেই সেনা বাহিনীর যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ হবে। যার একটা বড়ো অংশই চলে যাবে কর্মরত সেনার বেতন এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনার পেনশন দিতে।

graph

সূত্রের খবর, বর্তমানে ভারতীয় সেনা বাহিনীতে সব মিলিয়ে প্রায় ১৪ লক্ষ সেনা কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের বেতন-সহ যাবতীয় ব্যয়ে খরচ আসবে এই বরাদ্দ থেকেই। ফলে বরাদ্দের পরিমাণ যে পর্যাপ্ত নয়, তা নিয়েও সমালোচনার হাওয়া গরম হয়েছে।

অন্যদিকে বছরের পর বছর অত্যাধুনিক অস্ত্র সরঞ্জাম বাড়িয়ে সেনা নিয়োগ তুলনা মূলক ভাবে কমিয়ে ফেলা চিন গত দশ বছরে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে ১১৮ শতাংশ। আবার দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাশিয়ার এই সময়কালে বরাদ্দ বৃদ্ধির পরিমাণ ৮৭ শতাংশ। ফলে পাকিস্তান এবং চিনের রণংদেহী আচরণ ঠেকাতে ভারতের এই বরাদ্দের হার যে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে, তা প্রকাশ পেয়েছে ওই রিপোর্টে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here