Sanitary-Napkin
স্যানিটারি ন্যাপকিন। ছবি: নিউজএক্স থেকে

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্যানিটারি ন্যাপকিন থেকে উঠে গিয়েছে জিএসটি। কিন্তু এর ফলে কি আদৌ কমবে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবহৃত এই অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম? সাধারণ মানুষের মনে এখন এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে।

বিভিন্ন স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রস্তুতকারক সংস্থার মনোভাবের কথা সন্ধান করে ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর হিসাবে আপাতত না ধরে নেওয়া যেতেই পারে।কারণ জিএসটি তোলা হয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনার ক্ষেত্রে। কিন্তু ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি এই পণ্য তৈরিতে যে সমস্ত কাঁচামাল ব্যবহার করবেন, সেগুলি কিনতে আগের মতোই জিএসটি গুনতে হবে তাদের।

আরও পড়ুন: স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে আর জিএসটি নয়, যদিও কর রয়ে গেল প্রস্তুতে

একটি মহল থেকে বলা হচ্ছে, মূলত বগুজাতিক সংস্থার প্রস্তুত স্যানিটারি ন্যাপকিনের চল এ দেশে বেশি। ফলে তারা কোনো মতেই চাইবে না, নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে আগে জিএসটির জন্য ১২ শতাংশ অর্থই বহন করবে। কারণ, আগে এই পণ্যের উপর জিএসটির হার ছিল ১২ শতাংশ। যা ক্রেতা জোগান দিতেন। কিন্তু এখন জিএসটি উঠে যাওয়ার পর যদি ক্রেতাকে ১২ শতাংশ অর্থের পুরোটাই ছেড়ে দিতে হয় , তা হলে পণ্য প্রস্তুতের জন্য সংস্থার ব্যয় করা জিএসটি বাবদ অর্থ আসবে কোথা থেকে?

আরও পড়ুন: স্যানিটারি ন্যাপকিনে কোনো কর নয়, সস্তা হল টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন

অন্য একটি মহলের দাবি, সব দিক বিবেচনা করেই বলা যায়, প্রস্তুতকারক সংস্থা ইচ্ছা করলেই দামে ছাড় দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ১.৫ থেকে ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত দাম ছাঁটাই কোনো ভাবেই তাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলবে না। কারণ  জিএসটি ও ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিটহীন হিসাবে এমনিতেই পণ্যটির দাম কমার কথা ১.২ শতাংশ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here