Heath Insurance

ওয়েবডেস্ক: জীবনযাত্রা জ‌টিলতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ছে রোগের প্রকট। বর্তমান বাজারে চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয় এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে স্বাস্থ্য বিমা করানো বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, আচমকা কোনো কঠিন রোগের শিকার হলে খরচ সামাল দেওয়ার দুশ্চিন্তা অনেকটাই প্রশমিত হতে পারে স্বাস্থ্য বিমার দৌলতে। কিন্তু এই বিমা করানোর সময় নির্ভর করে পরিবারের সদস্য সংখ্যা, বাসস্থান এবং কাছাকাছি থাকা ভালো পরিষেবা প্রদানকারী হাসপাতাল ইত্যাদি বিষয়গুলি। যা খতিয়ে দেখার পরই নিয়মিত ভাবে স্বাস্থ্য বিমা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া যে বিষয়গুলি মাথায় রাখা দরকার-

স্বাস্থ্য বিমার পুনর্নবীকরণ

এই বিষয়টিই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বহুক্ষেত্রেই অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। কোনো বিষয় থেকে সাময়িক অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথমবার স্বাস্থ্য বিমা করানো হল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে তার কভারেজ সীমা সমাপ্ত হয়ে যাওয়ার পর পুনর্নবীকরণের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই অনিচ্ছা দেখান। বা গুরুত্বই দিতে চান না। কিন্তু প্রথম বারের প্রিমিয়াম থেকে যদি কোনো রকমের চিকিৎসা পরিষেবা না নেওয়ার প্রয়োজনও পড়ে, পরের বার তা লাগবে না, কে গ্যারান্টি দিতে পারে।

কভারেজের পরিমাণ বৃদ্ধি

একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কভারেজ পাওয়ার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে কেউ স্বাস্থ্য বিমা করালেন। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, দিনে দিনে কিন্তু সব কিছুরই কিন্তু মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে। ফলে চিকিৎসার খরচেরও বৃদ্ধি ঘটে যাচ্ছে সমান তালে। সেই কথা মাথায় রেখেই স্বাস্থ্য বিমা পুনর্নবীকরণের সময় কভারেজের পরিমাণও বাড়াতে হবে। তা তে দেখা যাবে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে।

সময়ের অপেক্ষা

আগে থেকে শরীরে বাসা বাঁধা কোনো রোগের জন্যই কেউ কেউ স্বাস্থ্য বিমা করানোর আগ্রহ দেখান। বছর তিন-চারেক তার কোনো রকম প্রভাব না দেখা গেলেই পলিসি বন্ধ করে দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে অজস্র। এই ধরনের চিন্তাভাবনা খুবই নেতিবাচক।

যত দ্রুত সম্ভব

স্বাস্থ্য বিমা করানোর জন্য কোনো বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে যত দ্রুত সম্ভব এই বিমার আওতায় চলে আসা বুদ্ধিমানের কাজ। অনেকে আবার ব্যক্তিগত বিমায় আগ্রহ দেখান। কিন্তু প্রিমিয়ামের পরিমাণ সামান্য বেশি হলেও পারিবারিক ভাবে স্বাস্থ্য বিমাক আওতায় আসা অনেক বেশি লাভজনক।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here