ওয়েবডেস্ক: দিন যত এগোচ্ছে, ততই প্রতিযোগিতা বাড়ছে জীবনযাপনে। সময়ের থেকেও দ্রুত হারে পরিবর্তিত হচ্ছে জীবনযাপনের পদ্ধতি। স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণ মানুষের জীবনের লক্ষ্য বা চাহিদা বলতে যা বোঝায়, সেগুলি পূরণেও সময়সীমা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। আর তারই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সম্পদসৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা।

আমাদের জীবনের সাধারণ চাহিদা কী? উত্তর হতে পারে বহুবিধ। সেই তালিকায় থাকছে সময় মতো বিয়ে, একটা বাড়ি, গাড়ি কেনা, সন্তানসন্ততির পড়াশোনা ইত্যাদি। কিন্তু এই বিষয়গুলিকে যতটা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, ততটা বোধহয় গুরুত্ব পায় না জীবনের জন্য নিরাপত্তা বা জীবনবিমা করানোর প্রবণতা।

সাধারণ কথায়, জীবনবিমা এমন একটি বিনিয়োগ পদ্ধতি, যা আর্থিকভাবে আপনার এবং আপনার পরিবারকে অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে সুরক্ষিত করে। এটি এমন একটি সুরক্ষা বলয়, যা আপনার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আর্থিক চাহিদাগুলির যত্ন নেয়, ভবিষ্যতে যদি তেমন কিছু ঘটে যায়।

Life Insurance

বিমা বিশেষজ্ঞরা বলেন, জীবনবিমা আদতে একটি বিনিয়োগের মৌলিক মাধ্যম। যেটির মালিক বিনিয়োগকারী নিজেই। তবে মেয়াদ পূরণের টাকা ব্যক্তিগত ভাবে ভোগ করার নিশ্চয়তা অনেক ক্ষেত্রেই না মিললেও নির্ভরশীলদের জন্য তা যথেষ্ট সহায়ক। যদিও বিমায় বিনিয়োগ করে বিশাল অঙ্কের নগদ টাকা ফেরত পাওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা কম। কিন্তু বিমায় বিনিয়োগ করেও সম্পদশালী হয়ে ওঠার নজির অংসখ্য রয়েছে। ফলে এক দিকে নিরাপত্তা অন্য দিকে সম্পদশালী হয়ে ওঠার উভয় সুযোগই রয়েছে জীবনবিমায়। স্বাভাবিক ভাবেই বিমা করে ধনী হওয়া যায় কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: ভারতের সব থেকে ধনী ৫ ভিখারি, এঁদের কাউকে রাস্তায় দেখেছেন কখনো?

তবে বিমা করানোর আগে অবশ্যই দেখে নেওয়া প্রয়োজন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেমন-

  • বিমাটি কী কী সুবিধা দিচ্ছে?
  • কোন পলিসিটি নিজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  • বিমায় নিয়মিত বিনিয়োগ করার মতো আর্থিক সংস্থান আছে তো?

এই ৩টি প্রশ্নের উত্তর যতই সহজ হবে, সুরক্ষার পাশাপাশি ততই বাড়বে ধনী হয়ে ওঠার সুযোগ। তবে যে কোনো জায়গায় আর্থিক বিনিয়োগ একান্ত ভাবে আপনার নিজস্ব সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here