sensex,Nikkei 225,Dow Jones Industrial Average

আজ নিফটি

পিভট পয়েন্ট – ১০২৬৪ * সাপোর্ট- ১০২০৫, ১০১৭১ * রেজিস্ট্যান্স- ১০২৯৯ , ১০৩৫৮

গতকাল মোটে আড়াইশো পয়েন্ট পড়েছে সেনসেক্স আর তাতেই হইচই পড়ে গিয়েছ, গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে বাজারের ওঠা-নামা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য বলে কথা। আদতে কি তাই?

এক কথায় ‘না’ হলেও এই উত্তর নিয়ে যুক্তি তক্কেরও অন্ত নেই। কারা বলছেন, ২০০২ থেকে গুজরাতে ক্ষমতায় থাকা বিজেপি ভোটের পরে জিততেই সেনসেক্স ১০০০ পয়েন্ট পড়ে গেছে এক মাসের মধ্যেই অর্থাৎ এবারও তেমনই হতে চলেছে। আবার উল্টো দিকের মত, শুধু অঙ্ক দিয়ে বাজার ওঠানামা করলে সেনসেক্সের নাম ম্যাথসেক্স হতে পারত। এখানে অঙ্ক তো একটা থাকেই তার উপর থাকে সেন্টিমেন্ট। বিনিয়োগকারীর সেই সেন্টিমেন্ট নিয়েই সেনসেক্সের উত্থান-পতন। ৮ ডিসেম্বর ছিল গুজরাতের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ৬ ডিসেম্বর কীসের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে সেনসেক্স প্রায় তিনশো পয়েন্ট লাফ দিল, তার উত্তরে উঠে আসছে একাধিক কারণ। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পলিসি থেকে বিদেশি বিনিয়োগ ইত্য়াদি ইত্য়াদি । আর ১৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দু’দিন আগে বাজার আড়াইশো পয়েন্ট পড়তেই গুজরাত নির্বাচনের যুক্তি সামনে চলে এসেছে। হতে পারে বাজার আজকেও পড়তে পারে। কিন্তু তার জন্য পুরোটাই যে ওই নির্দিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন, তা মেনে নেওয়া অসম্ভব।

এ কথা ঠিক জনগণ রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা চান। গুজরাতে একটা সরকার একটানা এত দিন ধরে রাজত্ব করে আসছে, তারা থাকলে সেই স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। তারা থাকলে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে সদ্ভাবে কোনো ছেদ পড়বে না। এমন সব যুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও কেউ কেউ এগুলিকে ছেঁদো যুক্তি ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারছেন না। টরেন্ট পাওয়ার প্রথম দফার ভোটের দু’দিন আগে চার টাকা বেড়ে ছিল। সেই স্টকই দ্বিতীয় দফার ভোটের দু’দিন আগে সাড়ে ছ’টাকা পড়ে গেল। বিশ্বাস না হলে গ্রাফ মিলিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এ কথা বলার কারণ, বাজারের একটা ট্রেন্ড আন্দাজ করা যেতে পারে কিন্তু বাজারের ঠিকুজি-কুষ্ঠি ঘেঁটে তার ভবিষ্যৎ বলা মুশকিল। ট্রেন্ড বলছে, এভাবেই ছোটো-বড়ো ঘটনাকে বগলদাবা করে বাজার নিজের সংশোধনের কাজটাও সেরে নিচ্ছে। তার আগে-পিছে গুজরাত নির্বাচন আসবে-যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here