RBI Repo Rate

মুম্বই: ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) সুদের হার (রেপো রেট) অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল বুধবারের বৈঠকে। মুদ্রাস্ফীতি রোধে আরবিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত যে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে, তেমনটাই ধারণা করছেন অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি কেন্দ্রের সঙ্গে আরবিআইয়ের কর্তাদের বৈঠকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির ঋণ দেওয়ার উপর আরোপিত শর্ত প্রত্যাহার করার পর আরবিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া গত্যন্তর ছিল না বলেও তাঁদের অভিমত।

বৈঠকের আগেই রয়টার্সের একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখতে পারে। এ দিনের বৈঠকেও গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানা যায়, ৬.৫ শতাংশই থাকছে আরবিআইয়ের রেপো রেট।

গত বছরখানেক সময় ধরেই রেপো রেট বাড়ানোর চাপ আসছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উপর। কিন্তু নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে টানা চার বছর ধরে রেপো রেট আপরিবর্তিত রেখেছিল আরবিআই। অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার ফলে দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম পরানো সম্ভব হয় কিছুটা হলেও। দেশের অর্থনীতি বর্তমান সময়ে যে উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে তার নিরিখে রেপো রেট বাড়ানোর হয়তো সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সে পথে হাঁটতে চায়নি।

আরও পড়ুন: অফিসার সংগঠনের ধর্মঘটের ডাক, মাঝে এক দিন বাদে প্রায় সপ্তাহখানেক ব্যাঙ্ক বন্ধের আশঙ্কা

উল্লেখ্য,  রেপো রেট বলতে সহজ কথায় বোঝায়, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে যে তহবিল সংগ্রহ করে, তার উপর ছাড় বা ডিসকাউন্টকে। স্বাভাবিক ভাবেই আরবিআই যদি রেপো রেট কমায় তা হলে ব্যাঙ্কগুলি লাভ, অন্য দিকে রেপো রেট বাড়ার অর্থ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে দেওয়া অর্থের উপর ডিসকাউন্ট কমে যাওয়া। অন্য দিকে রিভার্স রেপো রেট সম্পূর্ণ বিপরীত প্রক্রিয়া। যেখানে ব্যাঙ্ক আরবিআইয়ের কাছে  কোনো অনুমোদিত সম্পদ বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করে। এ ভাবে সম্পদ বিনিময় করে সুদ পেয়ে থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here