rbi

ওয়েবডেস্ক:  গত বছরখানেক সময় ধরেই রেপো রেট বাড়ানোর চাপ আসছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উপর। কিন্তু নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে টানা চার বছর ধরে রেপো রেট আপরিবর্তিত রেখেছিল আরবিআই। অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার ফলে দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম পরানো সম্ভব হয় কিছুটা হলেও। দেশের অর্থনীতি বর্তমান সময়ে যে উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে তার নিরীখে রেপো রেট বাড়ানোর হয়তো সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সে পথে হাঁটেনি এই দীর্ঘ সময়। সেই জায়গা থেকেই চলতি বছরে দেশের জিডিপি হারের বৃদ্ধির প্রবল সম্ভাবনা থাকছে বলেই ধারণা করা হয়েছিল। কারণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে অনুসরণ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও নিজেদের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার আগ্রহ দেখায়। কিন্তু বুধবার রেপো রেট বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও সুদের হার বাড়ানোর কথা ভাবতে শুরু করে দিল।

এখন মূল যে বিষয়টি নিয়ে মধ্যবিত্তের আশঙ্কা, তা হল আরবিআই রেপো রেট বাড়ালে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?

repo rate
২০১৩-র অক্টোবর থেকে রেপো রেট

রেপো রেট বলতে সহজ কথায় বোঝায়, বিভিন্ন ব্যাঙ্ক রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে যে তহবিল সংগ্রহ করে, তার উপর ছাড় বা ডিসকাউন্টকে। স্বাভাবিক ভাবেই আরবিআই যদি রেপো রেট কমায় তা হলে ব্যাঙ্কগুলি লাভ, অন্য দিকে রেপো রেট বাড়ার অর্থ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে দেওয়া অর্থের উপর ডিসকাউন্ট কমে যাওয়া। অন্য দিকে রিভার্স রেপো রেট সম্পূর্ণ বিপরীত প্রক্রিয়া। যেখানে ব্যাঙ্ক আরবিআইয়ের কাছে  কোনো অনুমোদিত সম্পদ বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করে। এ ভাবে সম্পদ বিনিময় করে সুদ পেয়ে থাকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক।

অর্থাৎ, আরবিআই এ দিন রেপো রেট ৬ থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট (০.২৫ শতাংশ) বাড়িয়ে ৬.২৫ করার ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও নিজেদের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে। সে জন্য তারা বেছে নেবে গাড়ি-বাড়ি বা অন্যান্য বিষয়ে যে ঋণ সরবরাহ করে থাকে, তার সুদের হার বাড়িয়ে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here