Public Provident Fund Account

ওয়েবডেস্ক: পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফের আমানতে আগ্রহ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এক দিকে ব্যাঙ্কের অন্যান্য আমানত প্রকল্পের থেকে অধিক হারে সুদ অন্য দিকে আয়করে ছাড়ের ব্যবস্থা থাকায় সাধারণের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য এই ১৫ বছর মেয়াদের প্রকল্প। তবে এই প্রকল্পটিকে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেশ কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে পিপিএফে আমানতকারী ৭.৬ শতাংশ হারে বার্ষিক সুদ পেয়ে থাকেন। ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে কোনো আয়কর লাগে না। আয়কর আইনের ৮০সিসি ধারায় এই পরিমাণ বিনিয়োগ সম্পূর্ণ আয়কর-মুক্ত। এর পরেও নতুন কোন সুবিধা সংযুক্ত হতে পারে?

  • পিপিএফ মূলত ১৫ বছরের প্রকল্প। তবে মাঝপথে টাকা তুলে নেওয়া যায় না। তবে নির্ধারিত কয়েকটি ক্ষেত্রে শতাংশ হারে টাকা তোলা যায়। তাও কমপক্ষে পাঁচ বছর পর। এ বার ওই নিয়ম শিথিল করা হতে পারে। অর্থাৎ প্রি-ম্যাচুওর অবস্থাতেই টাকা তোলা যেতে পারে।
  • অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, অন্যান্য ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পের মতোই প্রয়োজনেও টাকা তোলা যেতে পারে। চিকিৎসা বা শিক্ষা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তার জন্য যে কোনো সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা তোলা সম্ভব হতে পারে নয়া নীতিতে। আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমেই নয়া নীতি গৃহীত হবে।
  • প্রস্তাবিত সরকারি সেভিংস প্রমোশন অ্যাক্টের আওতায় নিয়ে আসা হতে পারে পিপিএফকে। আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী সংযুক্তির আওতা থেকে বাদ পড়তে পারে পিপিএফ। সংশোধনীতে থাকছে পিপিএফের সুদের হার এবং কর ছাড়ের বিষয়টি অপরিবর্তিত থাকবে।
  • আমানতকারীর মৃত্য হলে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি যাতে সহজে ওই টাকা তুলতে পারেন, সে বিষয়েও স্পষ্ট নীতি গ্রহণ করা হবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন