indian currency

ওয়েবডেস্ক: গত ৪ অক্টোবর পেট্রোল-ডিজেল থেকে আড়াই টাকা দাম কমানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ওই দিন জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি ডলারের তুলনায় টাকার দামে রেকর্ড পতন এবং শেয়ার বাজারের দুর্দশার চিত্রের কথাও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন। ফলে অর্থমন্ত্রীর মুখে এহেন বক্তব্য শোনার পর শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনে ন্যূনতম আশা জাগলেও তাতে অপরাধের কিছু ছিল না। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ওই দিন থেকে গত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র একটি দিন (গত বুধবার) বাদ দিলে প্রতিটি ট্রেডিং ডে-তেই ধসের মুখোমুখি হয়েছে এ দেশের শেয়ার বাজার।

এটা ঠিক অর্থমন্ত্রী শেয়ার বাজারের গতিবিধি নিয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করেননি, কাউকে সেখানে বিনিয়োগের জন্যও উৎসাহিত করেননি। কিন্তু সেনসেটিভ ইনডেক্স বা সেনসেক্স নিয়ে যাঁরা ন্যূনত খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা মাত্রই জানেন, সূচকের উত্থান-পতনে সূক্ষাতিসূক্ষ ঘটনাও কি চরম প্রভাব ফেলে।

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। গত বুধবার সর্বোচ্চ ১০,৪৮২ পয়েন্টে গিয়ে ঠেকে নিফটি। কারণ, ওই দিন বাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর ট্রেন্ড তৈরি করা হয়। বাজারে নতুন করে বিনিয়োগ হয় ৩.০৮ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকা কারা ঢেলেছিল, আর পর দিন কাদের টাকা যে মার্কেট থেকে বেরিয়ে গেল তা বোঝা গেল হাতেনাতে।

বৃহস্পতিবার জানা গেল, একাধিক আতঙ্কে হোক বা লাভ তুলে নেওয়ার মানসিকতা থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারী আর্থিক সংস্থাগুলি ভারতের বাজার থেকে এক লপ্তে কোটি কোটি টাকা তুলে নিচ্ছেন। চলতি মাসের শেষ ৭টি কেনা-বেচার দিনে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ দেশের শেয়ার বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন ১৪,০৯৭ কোটি টাকা। গোটা সেপ্টেম্বর জুড়ে তারা তুলে নিয়েছিল ১০,৮২৪ কোটি টাকা।

তা হলে আপাত স্পষ্ট হল তো, বুধবার বাজারে কারা টাকা ঢালল, আর সেই টাকা কারা সাবাড় করে দিচ্ছে?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন