Share Market

ওয়েবডেস্ক: অক্টোবরের প্রথম দিন শেয়ার বাজারের সূচক সেনসেক্স ছিল ৩৬,৫০০ পয়েন্টের উপর। আঙুল গোনা পাঁচ দিনের মাথায় সেনসেক্সের পতন হয়ে গেছে ২,০০০ পয়েন্টেরও বেশি। গত শুক্রবার সে ঠেকেছে ৩৪,২০২ পয়েন্টে। একই দশা অন্য আর এক সূচক নিফটির ক্ষেত্রেও এই অবনমনের ব্যতিক্রম ঘটেনি। ১১,০০০ পয়েন্টের উপর থেকে এই পাঁচ দিনের মধ্যেই ৮০০ পয়েন্ট পড়ে গিয়ে ঠেকে ১০, ২০০ পয়েন্টে। ফলে এর পরেও যদি পড়ে কোমর ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে তুলনা না করা হয়, তা হলে আর কখন?

শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় নিফটি থেমেছিল ১০,৩১৬.৪৫ পয়েন্টে। তবে বহুমুখী আক্রমণের শিকার হয়ে নিফটির ক্রমাবনতির গতি এ বার সম্ভবত হ্রাস পেতে চলেছে। অন্তত বিকল্প কৌশল সে কথাই বলছে।  আশা করা যেতে পারে, নিফটির সাপোর্ট হতে পারে ১০,১০০, অন্য দিকে রেজিস্ট্যান্স হতে পারে ১০,৯০০। শেষ কয়েক দিন নিফটির গতিবিধি থেকে এই বিপুল ফারাকের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স ধরা পড়েছে। এর মধ্যে যথেষ্ট আশার ইঙ্গিত রয়েছে বলেও মনে করা যেতে পারে। কারণ, সাপোর্ট যেখানে মাত্র ২ শতাংশ নীচে, সেখানে রেজিস্ট্যান্স ৫.৬ শতাংশ উপরে। তবে সবেরই উভমুখি প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।

মাথায় রাখা ভালো, গত ২৮ আগস্ট নিফটি ছুঁয়ে ফেলেছিল ১১৭৬০.২ পয়েন্টের চুড়ো। গত ৫ অক্টোবর ১২.৩ শতাংশ পতনের শিকার হয়ে এই কদিনের মধ্যে হারিয়েছে ১,৪৪৪ পয়েন্ট। অর্থাৎ ১০ শতাংশের উপর এই পতন হয়তো নিফটির সর্বোচ্চ সংশোধনের কাজ সেরে ফেলার সুযোগ পেয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সময় নিলেও নিফটি ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

কী ভাবে চিপ লাগানো নতুন এসবিআই এটিএম কার্ড পাবেন?

তবে বিনিয়োগের বিষয়ে ওই সমস্ত বহুমুখি আক্রমণের দিকে যতটা ধ্যান দেওয়া দরকার, তেমনই মাথায় রাখা প্রয়োজন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের বিষয়টিও। হতে পারে কোনো রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন শেয়ার বাজারে একটা তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলে, কিন্তু সামনের লোকসভার আগে ডামাডোল কিন্তু খুব একটা কম হবে না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন