money

বিশেষ প্রতিনিধি: রবিবার ১ এপ্রিল, নতুন ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরের শুরু। পাশাপাশি নতুন কর নির্ধারণের নতুন নিয়মও চালু হয়ে গেল আর্থিক বছরের প্রথম দিন থেকেই। আপাতত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এখানে পাঁচটি প্রধান পরিবর্তনের কথা তুলে ধরা হল যা জানা জরুরি।

৪০,০০০ টাকার বিশেষ ছাড়

কোনো করদাতার মোট আয় থেকে নতুন আইন বাদ দেবে ৪০ হাজার টাকা। যদিও প্রকৃত পক্ষে ছাড়ের পরিমাণ দাঁড়াবে মাত্র ৫,৮০০ টাকা। কারণ পরিবহণ খরচ বাবদ ১৯,২০০ এবং চিকিৎসা খরচ বাবদ ছাড় ১৫,০০০ টাকা এ বার থেকে আর কর মুক্ত থাকছে না। মোট আয় থেকে ৪০ হাজার টাকা ছাড়ের ঘোষণার মধ্যেই অন্তর্নিহিত রয়েছে আগের ওই দুই কর্ মুক্ত অর্থের পরিমাণ। ফলে পরিবহণ এবং চিকিৎসার জন্য আগের ছাড় ৩৪,২০০ টাকা যদি বাদ দেওয়া হয় তা হলে বাড়তি ছাড়ের পরিমাণ দাঁড়াল মাত্র ৫,৮০০ টাকা। নতুন আর্থিক বছরের শুরুতে নতুন এই নিয়ম আপনার জানা কতটা জরুরি, তা নিজেই স্থির করুন।

প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য কর ছাড়

২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য প্রাপ্ত সুদের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা হলে তবেই তিনি কর প্রদানের আওতায় পড়বেন। অর্থাৎ ওই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সুদ বাবদ আয় করলেও তা সম্পুর্ণ কর মুক্ত। এই পরিমাণ আগে ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা। অবসরকালীন জীবন উভভোগ করা মানুষের উপর থেকে করের বোঝা কমাতেই এই নতুন নিয়ম।

লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইন্স ট্যাক্স

এক বছরের বেশি সময় ধরে কোনো শেয়ারে বিনিয়োগ করে রাখলে তার থেকে প্রাপ্ত লাভ থেকে কেন্দ্র যে কর কাটবে সেটিকেই বলা হচ্ছে লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইন্স ট্যাক্স বা সংক্ষেপে এলটিসিজি ট্যাক্স। ব্যাপারটা ঠিক এ রকম: ২০১৮-এর ১ এপ্রিল আপনি কোনো সংস্থার শেয়ার কিনলেন। ধরুন সেই শেয়ারে আপনি বিনিয়োগ ক‌রলেন ১০০ টাকা। ২০১৯-এর এপ্রিলে সেই স্টকটি আপনি বিক্রি করতে চাইছেন। করে দিন। কিন্তু ওই শেয়ার থেকে আপনার যদি ৫০ টাকা লাভ হয়, অর্থাৎ স্টকটির দাম এক বছর পরে যদি ১৫০ টাকা হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে আপনার লাভের ওই ৫০ টাকাকেই বলা হবে দীর্ঘ মেয়াদি পুঁজি লাভ। যে অর্থ পড়ে যাবে ওই এলটিসিজি ট্যাক্সের আওতায়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here