Income Tax

ওয়েবডেস্ক: আয়কর বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট ছিল রিটার্ন দাখিল করার শেষ দিন। আয়কর বিভাগ আগে থেকেই জানিয়েছিল, নির্ধারিত ওই সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে ক্ষেত্র বিশেষে জরিমানা করা হবে। ফলে ওই নির্ধারিত সময়ে মধ্যে যাঁরা আয়কর দাখিল করতে পারেননি তাঁরা কী করবেন?

কেন্দ্রের ‘ফিনান্স অ্যাক্ট ২০১৭’ সংশোধনীতে বলা বয়েছে ‘বিলেটেড রিটার্নের’ মাধ্যমে শেষ সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও আয়কর দাখিল করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানার বিষয়টি রয়েই যায়।

বিলেটেড রিটার্ন কী?

যদি কোনো ব্যাক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর দাখিল করতে না পারেন, তিনি আয়কর আইনের ১৩৯ (৪) ধারা অনুয়ায়ী আর্থিক জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।

বিলেটেড রিটার্নের মেয়াদ

মূল্যায়ন বছর বা অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারের শেষে বা অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার শেষ হওয়ার আগেও এই বিলেটেড রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব। অর্থাৎ, আপনি ২০১৮-১৯  অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারের বিলেটেড রিটার্ন দাখিল করার জন্য সময় পাচ্ছেন ৩১ মার্চ, ২০১৯ পর্যন্ত। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছর বা ফিনান্সিয়াল ইয়ার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহজেই বিলেটেড রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব।

জরিমানা

অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার শেষ হওয়া না পর্যন্ত কোনো আর্থিক জরিমানা নেই বিলেটেড রিটার্নের ক্ষেত্রে। তবে ২০১৭-১৮ ফিনান্সিয়াল ইয়ারের জন্য যদি ২০১৮-১৯ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে বিলেটেড রিটার্ন দাখিল করা হয়, তা হলে জরিমানা প্রযোজ্য। আয়কর আইনের ১৩৯ (১) ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে।

লোকসান বহন করা যাবে না

আপনি যদি বিলেটেড রিটার্নের মাধ্যমে আয়কর দাখিল করেন, সে ক্ষেত্রে লোকসান বহন করা যাবে না। শুধুমাত্র গৃহসম্পদ ব্যতীত কোনো ক্ষেত্রেই লোকসান বহন করা যাবে না। সে আপনি চাকরিজীবী হোন বা ব্যবসায়ী, এমনকী অন্য কোনো ক্ষেত্র থেকেও যদি লোকসান হয়ে থাকে, তা বহন করা সম্ভব নয় এই বিলেটেড রিটার্নে।


পড়তে পারেন: আজ থেকে বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন