sensex

বিশেষ প্রতিনিধি: ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন বাজার খুলেই ডাউ জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ৫৭২ পয়েন্ট পড়ে গিয়েছে। চুড়ান্ত পতন দেখা গিয়েছে আমেরিকার প্রত্যেকটি সূচকের ক্ষেত্রেই। যা গত ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের অনেকটাই নীচ দিয়ে বয়ে গিয়েছে গত সোমবার। অন্য দিকে জাপানের নিক্কেই মঙ্গলবার খুলবার পর থেকেই নিম্নগামী। সেও প্রায় ২০০-২৫০ পয়েন্ট নীচে। উপরে ওঠার মতো তেমন কোনো জোরালো শর্ত না পূরণ হওয়ায় এ দেশের সেনসেক্স-নিফটি বা অন্যন্য সূচকগুলির দশা কী হতে চলেছে, তা আন্দাজ করার চেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছে ইন্টা ডে ট্রেডারদের মধ্যে।

গত সোমবার সেনসেক্স ২৮৬ পয়েন্ট পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। অন্য দিকে নিফটি ফিরে পেয়েছে ৯৮ পয়েন্ট। তবে ক্রমাগত পড়তে থাকা বাজারে এই এক শতাংশ বা তারও কম পয়েন্ট বৃদ্ধি মোটেই আশা দেখাতে সক্ষম নয় বলেই বদ্ধমূল ধারণা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “বাজার প্রচণ্ড চাপের মধ্যে আছে। এটি এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে গত কয়েক বছর ধরে প্রমাণিত সেরা সাফল্য অর্জনকারী স্টকগুলিও হতাশা ছড়িয়ে চলেছে। এমন কিছু স্টক বা ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলি বিনিয়োগকারীকে টানা লাভের মুখ দেখিয়ে গেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তাও নিজেদের সাফল্য ধরে রাখতে পারছে না।”

বিশেষজ্ঞদের এই তথ্যের নেপথ্যেই রয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেখানে স্টক নয়, শুধু মাত্র বিনিয়োগকারীদের বিচরণ। সেই যুক্তি বলছে, বাজারে যখন এই রকম পরিস্থিতির সৃষ্ট হয় একটি বিষেশ সেন্টিমেন্ট কাজ করে বিনিয়োগকারীদের মনে। অর্থাৎ তখন বাজারের প্রতি নেতিবাচক মানসিক অনুভূতি বহন করতে থাকেন বিনিয়োগকারীরা।

আরও পড়ুন: দীর্ঘ মেয়াদি বিনিয়োগে ভরসা না করলে পকেট ‘ফরসা’ হয়ে যেতে পারে

বিশেষজ্ঞরা এ কথাও বলছেন, মঙ্গলবারের বাজার যদি নিজেকে সঠিক জায়গায় ধরে রাখতে সক্ষম হয়, তা হলে বুঝে নিতে হবে দেড় মাসের পতন আদতে ছিল সংশোধনের সিঁড়ি ধরে নীচে নামা। অর্থাৎ এ দেশের শেয়ার বাজারে পের সুদিন ফিরছে। আর তা না হলে উল্টোটা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here