rbi

ওয়েবডেস্ক: ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করলেও একই দিনে আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ অপরিবর্তিত রাখল সুদের হার। বৃহস্পতিবারের শেয়ার বাজারে দুই দেশের বাজারে কেমন প্রভাব পড়তে চলেছে, তার ইঙ্গিতও মিলেছে বুধবার। এ দেশের শেয়ার সূচক নিফটি৫০ যেমন পড়েছে, তেমনই পড়েছে আমেরিকার শেয়ার বাজারের সূচকও।

কথা ছিল ১১,৪০০ পয়েন্ট ছুঁতে পারলে এ যাত্রায় উৎরে যাবে নিফটি। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রেপো রেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অজানা ছিল না শেয়ার বাজারের কাছে। তবুও কতকটা লাট্টুর মাথায় বসে রইল বুধবারের নিফটি৫০ বা সেনসেক্সের মতো শেয়ার সূচক। বৃহস্পতিবারে সুখবর বলতে, আমরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হাঁটেনি আরবিআইয়ের মতো। কিন্তু সেটাও যথেষ্ট কি?

আরবিআই রেপো রেটে ২৫ বেসিস পয়েন্টে বাড়ানোর পর শাখা ব্যাঙ্কের সঙ্গে লেনদেনকৃত অর্থে সুদের হার দাঁড়িয়েছে ৬.৫০ পয়েন্ট। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূলত খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধির রাশ টানতেই আরবিআই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে। গত জুন মাসেও একই পথে হেঁটে ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। তবে ব্যাঙ্ক-নির্ভর পরিষেবা ক্ষেত্রে, যেমন হোম লোন বা কার লোনে সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটতে হবে ব্যাঙ্কগুলিকে। তাই বলে শুধু আরবিআইয়ের রেপো রেট বৃদ্ধিই বুধবারের শেয়ার বাজারকে লাট্টুর মাথায় বসিয়ে রাখল। সেটা কেমন?

আরও পড়ুন: আজ সারা দিন শুধু ‘ওয়াচ অ্যান্ড ওয়েট’, সামনে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নতুন নীতি

একটার পর একটা নতুন সর্বকালীন উচ্চতায় পৌঁছনোর পর এ বার দম (শক্তি) নেওয়ার সময় এসেছে শেয়ার বাজারের সূচকগুলির। আপাতত যে লক্ষ্য নিয়ে তারা এগিয়ে চলেছে, তাতে লম্বা দৌড়, কিন্তু সময় কম। অর্থাৎ আগামী ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে শেয়ার বাজারকে বেশ খানিকটা উপরে উঠতে হবে। এমনটাই ট্রেন্ড দেখাচ্ছে বাজার, আবার একই চাহিদা রয়েছে বিনিয়োগকারীদের। ফলে বুধবার ১১,৩৯০ পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠার পরেও নিফটি ৪৫ পয়েন্ট নীচে নেমে দোকান বন্ধ করেছে। এটা স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here