ppf

ওয়েবডেস্ক: পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড-এ যাঁরা টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন, তাঁদের পক্ষে মাসের ৫ তারিখটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ! অবশ্য, শুধুই ৫ তারিখ নয়! সত্যি বলতে ১ তারিখ থেকে ৫ তারিখ বললেই ঠিক বলা হয়!

আসলে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড-এ সুদের পরিমাণটা হিসাব করা হয় এক মাসের ৫ তারিখ থেকে অন্য মাসের ৫ তারিখের মধ্যে। সেই জন্যই প্রতি মাসের ৫ তারিখটা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে সাধারণত ৭.৬ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়ে থাকে। যাতে সেই সুদের অঙ্কে জমানো টাকা বৃদ্ধি পায়, সেই জন্যই এখানে বিনিয়োগ করা। কিন্তু এই সুদটাও জমা হবে মাসের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত কতটা টাকা রয়েছে, তার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, মাসের ৫ তারিখের মধ্যে যদি পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া না হয়ে ওঠে, তবে বর্ধিত টাকার অঙ্কের উপরে সুদ পাওয়া যাবে না। সুদ পাওয়া যাবে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত যে টাকাটা অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে, স্রেফ তার উপরেই!

মানে, এ ক্ষেত্রে পুরোটাই বিনিয়োগকারীর লোকসান ছাড়া আর কিছুই নয়!

ধরা যাক, কোনো ব্যক্তির পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত রয়েছে ১০,০০০ টাকা। এ বার তিনি আরও ৫,০০০ টাকা জমা করলেন অ্যাকাউন্টে। কিন্তু সেটা যদি মাসের ৫ তারিখের মধ্যে করেন, তা হলেই একমাত্র ১৫,০০০ টাকার উপরে হিসাব করে সুদ জমা পড়বে। নয় তো, ওই ৫,০০০ টাকা জমা দেওয়া হয়ে যাবে অর্থহীন, সুদ আসবে কেবল ১০,০০০ টাকার উপরে হিসাব করেই! জমা করা ৫,০০০টাকার সুদ হিসাব করা হবে পরের মাসের নিরিখে।

এই জায়গায় এসে মনে হতে পারে, সরকার কেন মাসের ৫ তারিখটাই পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিনিয়োগের তারিখ বলে ধার্য করে রেখেছে?

সেটা অবশ্য সঞ্চয়কারীর সুবিধার জন্যই! সাধারণত, মাসের ৫ তারিখের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে বেতন জমা পড়ে যায়। তাই যাতে পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমা করতে অসুবিধা না হয়, সেই জন্যই এই বন্দোবস্ত!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here