Employees
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের তহবিল সংস্থা ইপিএফওর সদস্যদের আর আগামী অর্থবর্ষ থেকে চাকরি পরিবর্তন করলে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) স্থানান্তরের জন্য আলাদা করে আবেদন দাখিল করতে হবে না। কারণ, আগামী ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ থেকে নতুন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই ওই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন শ্রম মন্ত্রকের এক আধিকারিক।

বর্তমানে, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও)-এর গ্রাহকদের সর্বজনীন অ্যাকাউন্ট নম্বর (ইউএএন) থাকা সত্ত্বেও কর্মস্থল পরিবর্তনের পর ইপিএফ স্থানান্তরের আবেদন জানাতে হয়। ইপিএফও জানিয়েছে, প্রতি বছর প্রায় আট লক্ষ ইপিএফ স্থানান্তরের আবেদন জমা পড়ে।

শ্রম মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ইপিএফও পাইলট ভিত্তিতে চাকরি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই ইপিএফ স্থানান্তরের স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করছে। সমস্ত গ্রাহকের জন্য এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি আগামী আর্থিক বছরের যে কোনো সময় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে”।

ওই আধিকারিক জানান, ইফিএফও কাগজহীন প্রক্রিয়ার উপর জোর দিয়েছে আগেই। বর্তমানে সংগঠনের ৮০ শতাংশ কাজ হয়ে থাকে অনলাইনে। ঠিক ওই উদ্দেশেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ইপিএফ স্থানান্তরের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

কী ভাবে চলবে ওই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি?

জানা গিয়েছে, কোনো কর্মী চাকরি পরিবর্তন করলে তাঁর নতুন নিয়োগকর্তাও ইপিএফে টাকা জমা করবেন। যা হয় ওই ইউএএন নম্বরের সাহায্যেই। যেটি সর্বজনীন। ফলে নতুন নিয়োগকর্তার মাধ্যমে ওই কর্মীর ইপিএফে টাকা জমা পড়ার পরই কর্মীর কর্মস্থলের বিবরণও পরিবর্তন হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে চাকরি পরিবর্তনের পরে, গ্রাহক তার নতুন নিয়োগকর্তাকে ইউএএন প্রদান করেন। নতুন নিয়োগকর্তা ওই ইউএএন-এ  তার ইপিএফ অবদান জমা করেন। কিন্তু ইউএএন অ্যাকাউন্টের গ্রাহকের পূর্ববর্তী চাকরির সময় তৈরি জমা টাকা বা সুদের কোনো উল্লেখ পাওয়া যায় না সে সময়। ফলে গ্রাহককে তাঁর আগের কাজের সময় ইপিএফে জমা টাকা ও সুদের হিসাব সম্মিলিত ভাবে পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন জানাতে হয়। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here