‘রোয়ানু’র প্রভাবে আগামী দু’দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

0

খবর অনলাইন: এ যেন অকাল বর্ষা। সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অংশে। মে মাসের চিরাচরিত গরম উধাও। সৌজন্যে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু।

এই সপ্তাহের শুরুতেই তামিলনাড়ু উপকূলের কাছে সৃষ্টি হয়েছিল একটি নিম্নচাপের। এর প্রভাবে গত দু’দিনে চেন্নাইয়ে ১৫০ মিলিমিটারের ওপর বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এই নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতি কী হতে পারে তাই নিয়ে ধন্দে ছিলেন আবহাওয়াবিদরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশিত বুলেটিনে দিল্লির ‘মৌসম ভবন’ জানিয়েছে এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে, কলকাতার ৯৩০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে। মলদ্বীপের দেওয়া নামে এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ হয়েছে ‘রোয়ানু’। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণিঝড় আরও শক্তি বৃদ্ধি করে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিয়ে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কান ঘেঁষে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে। আগামী ২২ তারিখ চট্টগ্রামের কাছে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঘূর্ণিঝড়।

এর প্রভাবেই আজ সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দুপুরের পর এক পশলা প্রবল বর্ষণ হয়েছে শহরে। ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে যত এগিয়ে আসবে বৃষ্টির পরিমাণ ততই বাড়বে। সঙ্গে সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া, ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি বেগে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগামী দু’দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বাংলাদেশের দিকে থাকার জন্য, এর প্রত্যক্ষ প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে পড়বে না। গোটা গ্রীষ্মকালে অনাবৃষ্টি বা স্বল্পবৃষ্টির ফলে বৃষ্টির যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে, এই বৃষ্টি সেই ঘাটতির অনেকটাই মিটিয়ে ফেলবে বলে আশা সব মহলে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন