Connect with us

খবর

“লাতুরে মালগাড়িতে জল যায়, আমরা দেড় হাজারে এক ট্যাংকার জল কিনি” : জলছবি/৪

খবর অনলাইন : “সব মনোযোগ লাতুর আর মরাঠাওয়াড়ার দিকে। আমাদের এই সাতারা তো খরা-খবরের শিরোনামে নেই, তাই এ দিকে খুব একটা নজর নেই কারও। জলের অভাবে মানুষ, পশু, শস্য মরে যাচ্ছে। কারও হুঁশ নেই। না সরকারের, না কোনও এনজিও-র” – আক্ষেপ করছিলেন সাতারার চাষি লক্ষ্মণ নালে।

সাত জনের পরিবার নালের। বাবা-মা, স্ত্রী ও তিন ছেলেমেয়ে। সাতারা শহর থেকে ৭০ কিমি দূরে ফলতন তালুকের গ্রামে থাকেন। ৫০ বছরের চাষি পরিবার। এ বার লাগিয়েছিলেন বেদানা গাছ। খর রোদে সব চারা একেবারে শুকিয়ে গিয়েছে। ঠিকঠাক ফলন হলে এই চাষ থেকে বছরে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা আয় হয়। এ বছর চাষের জন্য যে টাকা ঢালা হয়েছিল, তার সবটা গিয়েছে। চাষ থেকে সংসারে কোনও আয় নেই। তাই লক্ষ্মণের বাবা কাছাকাছি একটা কনস্ট্রাকশনের জায়গায় কাজ করছেন। কিন্তু তাঁর দৈনিক মজুরি এত কম যে গোটা পরিবারের খাওয়াখরচ তো দূরের কথা, অসুস্থ মায়ের ওষুধের খরচও ওঠে না।

নালে বলছিলেন, “আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। আমি আর্টস গ্র্যাজুয়েট। তেমন কোনও চাকরি না পেয়ে ড্রাইভিংয়ের কাজ করছিলাম। কিন্তু বাবা কনস্ট্রাকশন লেবারের কাজ নিল বলে আমাকে ড্রাইভিংয়ের কাজটা ছেড়ে দিতে হল। কারণ চাষটা তো দেখতে হবে। কিন্তু অবস্থা খুব খারাপ। প্রকৃতির রোষে পড়েছে গোটা গ্রাম। এখন বুঝতে পারছি কেন চাষিরা আত্মঘাতী হয়।”

মহারাষ্ট্রের সাতারায় বছরে চার মাস বৃষ্টির মরশুম। গড়ে বৃষ্টি হয় ৯০০ মিমি। মরাঠাওয়াড়ার কয়েকটি জেলা, বিশেষ করে পার্ভনি, নান্দেদ ইত্যাদি অঞ্চল থেকেও কম। ফলতন তালুকে জলের জন্য একমাত্র ভরসা বৃষ্টি। অন্য কোনও জলের উৎস কাছেপিঠে নেই। বর্ষার জল ধরে রাখা হয় কুয়োয়। সারা বছর এই কুয়ো থেকে জল নিয়ে দিন চলে। এর আগে ২০০৪-এও খরা দেখেছে সাতারার এই অঞ্চল। কিন্তু এ বারের খরা যেন অনেক বেশি মারাত্মক। আট মাস এক ফোঁটা বৃষ্টি নেই। মাটি একেবারে ফুটিফাটা। জলের অভাবে শস্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে, গবাদি পশু মরতে বসেছে। এর ওপর রয়েছে চিনি কারখানা। ফলতন তালুকে চারটে বড়ো সুগার ফ্যাক্টরি আছে। এতে প্রচুর জল লাগে। ক্যানালের সব জল ওই কারখানাগুলোতেই চলে যায়।

“সরকারের নজর, মেডিয়ার নজর, এনজিওদের নজর শুধু মরাঠাওয়াড়া-লাতুর-বিদর্ভের দিকে। লাতুরে রেলস্টেশন আছে। মালগাড়ি জল নিয়ে নিয়মিত যাচ্ছে লাতুরে। আর আমাদের গ্রামের সঙ্গে তো কোনও রেলসংযোগ নেই। তাই জল পাঠানোর কোনও উদ্যোগও নেই। এমন দিন যায় যখন টানা আট দিন জল ছাড়া চালাতে হয়” –- লক্ষ্মণের গলায় অভিমান ঝরে পড়ে।

কিন্তু খাওয়ার জল ?

তার জন্য লক্ষ্মণের গ্রামকে জল কিনতে হয়। গ্রামের সাড়ে চার হাজার মানুষের জন্য এক ট্যাংকার জল, দেড় হাজার টাকা দিয়ে। সেই জলে গ্রামের কুয়ো ভর্তি করা হয়। তার থেকে জল টেনে গ্রামবাসীরা জলের জরুরি প্রয়োজন মেটান। কিন্তু এ ভাবে কত দিন ? পকেট যে গড়ের মাঠ হয়ে যাচ্ছে।

গ্রামবাসীদের অনেকে মনে করেন, অসমাপ্ত দোহমবলকোয়াড়ি ড্যামের কাজ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শেষ করলে এ অঞ্চলে জল সমস্যা অনেকটাই মিটবে। পূর্ব ফলতনে যে সব ক্যানাল রয়েছে সেগুলো এই ড্যামের সঙ্গে যুক্ত। তা ছাড়াও গ্রামবাসীরা মনে করেন, আগেকার সরকারের মতো বর্তমান সরকারও যদি পশুখাদ্যের শিবির বসাত, তা হলেও গবাদিপশুগুলো অন্তত বাঁচত। এক সময় গ্রামে বসত ‘চরা চওয়ানি’। গ্রামের মানুষ তাঁদের গবাদিপশু এই শিবিরে রেখে আসতেন। সরকার তাদের খাওয়াত, পানীয় জল দিত। পুরোটাই বিনা পয়সায়। গ্রামবাসীদের পকেট থেকে এক পয়সাও যেত না। গরিব চাষিরা খুবই উপকৃত হতেন। বছর দুয়েক হল, সেই শিবির আর বসে না।

“আসলে আমরা তো বড়ো ভোটব্যাঙ্ক নই। তাই আমাদের দুর্দশা কারও নজরে পড়ে না” –- হাল ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে বসে থাকেন লক্ষ্মণ ও তাঁর গ্রাম।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া


দেশ

কোভিড থেকে সুস্থ হলেন এক শতায়ু দিল্লিবাসী, যিনি স্প্যানিশ ফ্লু-এর সাক্ষী

আক্রান্ত হন তাঁর স্ত্রী, ছেলে এবং পরিবারের আরও এক সদস্য। তাঁরা সবাই সুস্থ হয়েছেন।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব জুড়ে তখন স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি চলছে। সে সময় তিনি ছিলেন চার বছরের শিশু। এখন তাঁর বয়স ১০৬। এ বার সুস্থ হয়ে গেলেন কোভিড ১৯ থেকে।

দিল্লিবাসী ওই শতায়ু মানুষটি কোভিড ১৯-এ (Covid 19) আক্রান্ত হয়ে ভরতি হয়েছিলেন দিল্লির এক কোভিড হাসপাতালে। তাঁর ছেলেও আক্রান্ত হন একই রোগে। ৭০-এর ঘরে যাঁর বয়স, সেই ছেলের থেকে আগেই সুস্থ হয়ে গেলেন শতায়ু বাবা। ডাক্তাররাই এই খবর দিয়েছেন।

ডাক্তাররা জানান, শতায়ু মানুষটির চিকিৎসা চলছিল রাজীব গান্ধী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে (আরজিএসএসএইচ, RGSSH)। কোভিড ১৯ থেকে সুস্থ হওয়ার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই একই রোগে আক্রান্ত হন তাঁর স্ত্রী, ছেলে এবং পরিবারের আরও এক সদস্য। তাঁরা সবাই সুস্থ হয়েছেন। তাঁদের সবাইকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের এক সিনিয়ার ডাক্তার বলেন, “সম্ভবত দিল্লিতে তিনিই প্রথম কোভিড ১৯ রোগী, যিনি ১৯১৮-এর স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি দেখেছেন। এই স্প্যানিশ ফ্লু-ও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি কোভিড ১৯ থেকে শুধু সুস্থই হননি, ছেলের চেয়ে অনেক দ্রুততায় সুস্থ হয়ে গিয়েছেন।”

স্প্যানিশ ফ্লু কী

১০২ বছর আগে মারণ স্প্যানিশ ফ্লু-এ তছনছ হয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্ব। সেই সময়ে সারা বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ওই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বিশ্বের সাম্প্রতিক ইতিহাসে ১৯১৮-এর স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি সব চেয়ে মারাত্মক মহামারি। এইচ১এন১ (H1N1) ভাইরাস থেকেই স্প্যানিশ ফ্লু দেখা দিয়েছিল। ওই ভাইরাসের জিনের উৎস ছিল পক্ষীকুল। ওই ভাইরাসের উৎপত্তি কোথায় হয়েছিল, সে সম্পর্কে সর্বসম্মত কোনো তথ্য নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল-এর (সিডিসি, CDC) তথ্য অনুযায়ী ওই মহামারি ১৯১৮-১৯ সালে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯১৮-এর বসন্তে সেনাবাহিনীর কর্মীদের মধ্যে ওই ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়। ওই রোগে আমেরিকায় ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার জনের মৃত্যু হয় বলে সিডিসি জানায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু, WHO) রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯১৮-১৯-এর মহামারিকে বলা হয় স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি। এই রোগ ছিল প্রচণ্ড ছোঁয়াচে। এতে আনুমানিক চার কোটি লোক মারা গিয়েছিলেন।

ভারতে স্প্যানিশ ফ্লু

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে যে সব সৈন্য ভারতে ফিরে এসেছিল, তাঁদের মাধ্যমেই স্প্যানিশ ফ্লু ছড়ায় বলে অনুমান করা হয়।

সেই সময় বিদেশ থেকে ভারতে লোক ঢুকত মুম্বই (তৎকালীন বোম্বে), কলকাতা, চেন্নাইয়ের (তৎকালীন মাদ্রাজ) মতো দেশের প্রধান প্রধান বন্দর ও রাজধানী দিল্লি দিয়ে। এই সব শহরেই প্রথম স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পড়ে।

এই রোগে বিশ্বে যত জনের মৃত্যু হয়েছিল, তার এক-পঞ্চমাংশের মৃত্যু ভারতে হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে এই সংখ্যা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে।

দু’টো মহামারির সাক্ষী

নভেল করোনাভাইরাস (novel coronavirus) থেকে দিল্লিবাসী শতায়ু মানুষটি সুস্থ হয়ে যাওয়ায় আরজিএসএসএইচ-এর ডাক্তাররা এক দিকে আনন্দিত, আবার অন্য দিকে বিস্মিত। কারণ এই রোগ সংক্রমণের সব চেয়ে সহজ শিকার হল এই অতি বৃদ্ধ মানুষজন।

ওই শতায়ু মানুষটির চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এমন এক জন সিনিয়ার ডাক্তার বলেন, “সেই ছোট্ট বয়সে স্প্যানিশ ফ্লু-তে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন কি হননি, তা আমাদের জানা নেই। কারণ দিল্লিতে সেই সময় কেমন পরিস্থিতি ছিল, তার কোনো প্রামাণ্য নথি আমাদের হাতে নেই। তবে সেই সময় খুব কম হাসপাতাল ছিল। একজন ১০৬ বছর বয়সি মানুষের বাঁচার ইচ্ছাশক্তি দেখে আমরা অভিভূত।”  

কিন্তু যে বিষয়টি আরও বেশি কৌতূহলোদ্দীপক তা হল, ছেলের চেয়েও তাঁর দ্রুত সুস্থ হওয়া। ছেলের বয়স ৭০-এর ঘরে। তিনি স্প্যানিশ ফ্লু দেখেছেন, এ বার কোভিড ১৯ থেকে সুস্থ হলেন। অতএব দু’টো মহামারির সাক্ষী রইলেন তিনি।

Continue Reading

দেশ

কেঁপেই চলেছে দেশের মাটি, এ বার ফের কচ্ছে, মিজোরামে

earthquake

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোথায় কচ্ছ (Kutch) আর কোথায় মিজোরাম (Mizoram) – হাজার তিনেক কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব। অথচ রবিবার বিকেলে প্রায়ই একই সময়ে ভুমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতের দু’টি অঞ্চল। দূরত্বেই মালুম দুটি আলাদা ভূমিকম্প। একটির সঙ্গে আর একটির কোনো সম্পর্ক নেই।

গত এপ্রিল থেকেই রাজধানী দিল্লি, হরিয়ানা ও রাজস্থানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল-সহ উত্তর, উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিম ভারতের বেশ কিছু অঞ্চল বার বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে। তবে দু’-একটি বাদে প্রায় সব ভূমিকম্পই মৃদু থেকে মাঝারি। কিন্তু বার বার এ হেন ভূমিকম্পে বাসা বাঁধছে আতঙ্ক। তাঁদের দুশ্চিন্তা। এই বার বার কেঁপে ওঠা, বড়ো কোনো ভূমিকম্পের ইঙ্গিত নয় তো।

গুজরাতের কচ্ছে

গুজরাতের কচ্ছ জেলা এ দিন বিকেল ৫.১১ মিনিটে কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পের (Earthquake) কেন্দ্রস্থল ছিল ভাচাউ (Bhachau) থেকে ১৪ কিমি উত্তর উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পের মাত্রা ৪.২ ছিল বলে জানিয়েছে গান্ধীনগরের ইনস্টিটিউট অব সিসমোলজিক্যাল রিসার্চ (আইএসআর, ISR)। এই ভূমিকম্পে অবশ্য ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আইএসআর জানিয়েছে, বিকেলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আগে ওই অঞ্চল দুপুর ১.৫০ থেকে ৪.৩২-এর মধ্যে চার বার কেঁপে ওঠে। সেই কম্পনগুলি ছিল মৃদু। রিখটার স্কেলে ১.৮, ১.৬, ১.৭ এবং ২.১।

গত ১৪ জুন ভাচাউয়ের ওই একই অঞ্চলে তৈরি হওয়া ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে গোটা সৌরাষ্ট্র অঞ্চল। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন মানুষজন।

মিজোরামে

কচ্ছের ভূমিকম্পের অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই কেঁপে ওঠে মিজোরাম। এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ। উৎসস্থল ছিল চাম্ফাই (Champhai) থেকে ২৫ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম। ভূমিকম্পের মাত্রা ৪.৬ ছিল বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস, NCS).

উল্লেখ্য, ঠিক দু’ সপ্তাহ আগের রবিবার ও সোমবারে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মিজোরামের ওই অঞ্চল। ওই ভূমিকম্পে ঘরবাড়ির বেশ ক্ষতি হয়েছিল। লোকেরাও আতঙ্কিত হয়ে পরেছিলেন।

Continue Reading

রাজ্য

রাজ্যে এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড! তবে সক্রিয় রোগীর চেয়ে অনেক এগিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা

গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৫ জন

কলকাতা: রাজ্য শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ন’শো জন। রবিবার স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৫ জন। শনিবার এই সংখ্যাটিই ছিল ৭৪৩।

এ দিন শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত এক দিনে সর্বাধিক বলে জানা গিয়েছে ওই বুলেটিন থেকে। স্বাস্থ্য দফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪৫ জন কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগী। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৪,৭১১ জন। সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে ৬৬.৪৮ শতাংশ। গত শনিবার রাজ্যে সুস্থতার হার ছিল ৬৬.৭২ শতাংশ। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২,১২৬ জন।

আক্রান্তের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় রবিবার পর্যন্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬,৬৫৮ জন। ফলে সুস্থ হয়ে ওঠা এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন আক্রান্তের সংখ্যার ফারাক পৌঁছেছে আট হাজারের বেশি।

কলকাতায় সংক্রমণ

রবিবার পর্যন্ত কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন সব মিলিয়ে ৭,১০৮ জন। সারা রাজ্যে যেখানে মোট মৃতের সংখ্যা ৭৫৭, সেখানে কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ৪১৮ জনের। শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় যে ২১ জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কলকাতার আট জন। বাকিদের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার আট জন, হাওড়ার দু’জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহ ও জলপাইগুড়ির এক জন করে।

নতুন করে কোন জেলায় কত আক্রান্ত

কলকাতা: ২৪৪

আলিপুরদুয়ার: ১

দার্জিলিং: ২৬

জলপাইগুড়ি: ৮

উত্তর দিনাজপুর: ১৯

দক্ষিণ দিনাজপুর: ৮

মালদহ: ৩৭

মুর্শিদাবাদ: ৬

নদিয়া: ৭

পুরুলিয়া: ৩

বাঁকুড়া: ৬

ঝাড়গ্রাম: ১

পশ্চিম মেদিনীপুর: ১১

পূর্ব মেদিনীপুর: ৯

পূর্ব বর্ধমান: ৩

পশ্চিম বর্ধমান: ১

হাওড়া: ১১১

হুগলি: ৬২

উত্তর ২৪ পরগনা: ২১৪

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১১৮

আরও আসছে…

Continue Reading
Advertisement
দেশ3 hours ago

কোভিড থেকে সুস্থ হলেন এক শতায়ু দিল্লিবাসী, যিনি স্প্যানিশ ফ্লু-এর সাক্ষী

earthquake
দেশ8 hours ago

কেঁপেই চলেছে দেশের মাটি, এ বার ফের কচ্ছে, মিজোরামে

রাজ্য8 hours ago

রাজ্যে এক দিনে আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড! তবে সক্রিয় রোগীর চেয়ে অনেক এগিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা

দেশ9 hours ago

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

দেশ10 hours ago

২০২১-এর আগে নয় করোনা ভ্যাকসিন? প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও সময়সীমা মুছে দিল বিজ্ঞানমন্ত্রক!

দেশ11 hours ago

কোভিড-১৯: ২১টি রাজ্যে সুস্থতার হার জাতীয় হারের তুলনায় বেশি

বিনোদন12 hours ago

করোনা আবহে কী ভাবে হল ‘বিবাহ বার্ষিকী’র শুটিং? দেখে নিন অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

দেশ12 hours ago

রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদী-রামনাথ কোবিন্দ বৈঠক

দেশ19 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪৮৫০, সুস্থ ৯৩৮১

কলকাতা2 days ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

দেশ3 days ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

দেশ3 days ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

wfh
ঘরদোর2 days ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

রাজ্য3 days ago

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ রুটে বেসরকারি ট্রেন, ভাড়া বাড়বে কি?

thunderstorm
রাজ্য3 days ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

fat
শরীরস্বাস্থ্য2 days ago

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

কেনাকাটা

কেনাকাটা13 hours ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা5 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে