ওয়াশিংটন : অভিবাসন নিয়ে সুর নরম করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা হওয়া উচিত মেধাভিত্তিক। মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে বক্তৃতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, কানাডা অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশ্বের বহু দেশেই মেধার ভিত্তিতে অভিবাসনের ব্যবস্থা চালু আছে। এই ব্যবস্থার ফলে অর্থের অপচয় কমবে, শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো যাবে, যাঁরা কষ্ট করে জীবনধারণ করছেন তাঁদের সাহায্য করা সম্ভব হবে। অভিবাসনের এই নীতি নিলে ভারতের মতো দেশগুলির হাই-টেক পেশাদাররা উপকৃত হবেন। 

ট্রাম্প বলেন, যাঁরা মার্কিন দেশে অভিবাসন নিতে চাইবেন, তাঁদের নিজেদের শিক্ষা ও যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হবে। এটাই হবে প্রাথমিক নিয়ম। ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার খরচের পরিমাণ লক্ষ লক্ষ কোটি ডলার। যা দেশের করদাতাদের দেওয়া বিলিয়ন ডলারের সমান।

এ দিন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, লিঙ্কনের নীতি ঠিক। সেই কথা মেনে চলার সময় এসেছে। বলেন, আমেরিকার কোনো কোম্পানি, সেখানকার, শ্রমিক কোনো কিছুরই সুযোগ নিতে দেবেন না তিনি। তিনি দেশের মধ্যের লক্ষ লক্ষ কাজের সুযোগ ফিরিয়ে আনবেন। পাশাপাশি করদাতাদের চাপ মুক্ত করবেন। 

ট্রাম্প বলেন, তাঁর বিশ্বাস লক্ষ্যে স্থির থাকলে বাস্তবোচিত আর ইতিবাচক অভিবাসন নীতির প্রয়োগ করা সম্ভব। এটা দরকার দেশবাসীর কাজের সুযোগ, তাঁদের মজুরি, দেশের নিরাপত্তা আর আইনের প্রতি সম্মান বাড়ানোর জন্য। তিনি বলেন, ঠিক ভাবে পরিচালনা করলে দেশের দু’টি দল রিপাবলিকান আর ডেমোক্র্যাটরা এক সঙ্গে কাজ করতে পারবে। প্রযুক্তি ও অন্যান্য সংস্থাও এই বিষয়ে তাদের সচেতনতা প্রকাশ করেছে। তারাও উপযুক্ত ব্যক্তিদের কাজে নিয়োগ করতে চায়। 

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুদোর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় থেকেই ট্রাম্প কানাডার অভিবাসন নীতির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছিলেন। 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন