খবর অনলাইন: সন্দেহভাজন মানুষখেকোকে শনাক্ত করতে ১৮টি সিংহকে আটক করা হয়েছে গুজরাতে। রাজ্যের শীর্ষ বনকর্তা জে এম খান বলেছেন, ওই সিংহগুলিকে দু’ মাস ধরে খাঁচায় আটকে রেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে। অপরাধী সিংহটিকে মোটামুটি ভাবে শনাক্ত করা গিয়েছে। তবে নিশ্চিত করে কিছু বলার আগে আরও কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন।

সম্প্রতি গুজরাতের গির জঙ্গলে সিংহের আক্রমণে ১৪ বছরের একটি কিশোর এবং এক মহিলা-সহ তিন জনের প্রাণ হারানোর পর সিংহদের আটকে রেখে পরীক্ষা করে অপরাধী সিংহটিকে ধরার চেষ্টা শুরু হয়। বন বিভাগের অফিসারেরা জানিয়েছেন, পায়ের ছাপ ও মল-মূত্র পরীক্ষা করে মানুষখেকোকে খুঁজে বের করার চেষ্টা হচ্ছে। অপরাধীকে খুঁজে পাওয়া গেলে, তাকে চিড়িয়াখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে আর বাদবাকিদের জঙ্গলে ফেরত পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, এশীয় সিংহের একমাত্র আবাসস্থল গুজরাতের গির। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গিরের জঙ্গলে সিংহের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তাদের বসবাসের জায়গায় টান পড়ছে। ফলে তাদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাচ্ছে। সর্ব শেষ গণনা গিরে এখন সিংহের সংখ্যা ৪১১ থেকে ৫২৩-এর মধ্যে। রাজ্যের প্রাক্তন বনকর্তা গোবিন্দ পটেল বলেছেন, সিংহের সংখ্যা বাড়তে থাকায় তারা মূল জঙ্গলের বাইরে গিয়ে থাকার চেষ্টা করছে। সিংহের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার মোকাবিলা করার জন্য কিছু সিংহকে রাজ্যের অন্যত্র বা বাইরে পাঠানোর জন্য গুজরাতকে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গুজরাত তা চায় না। তাই এই নির্দেশ রূপায়ণে গড়িমসি করছে তারা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here