মুম্বই : ইংল্যান্ডের পয়া মাঠ ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম আর পয়মন্ত থাকল না। জোড়া সেঞ্চুরির দৌলতে তৃতীয় দিনের শেষে ভারত এগিয়ে গেল ৫১ রানে, হাতে এখনও ৩ উইকেট। ক্রিজে আছেন বিরাট কোহলি (১৪৭) ও জয়ন্ত যাদব (৩০)।  

শনিবার দিনের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি ভারতের। শুক্রবারের স্কোরের সঙ্গে কোনো রান যোগ না করেই বিদায় নেন পূজারা। দিনের তথা জেক বলের দ্বিতীয় বলে বোল্ড পূজারা। নামেন অধিনায়ক কোহলি। দু’ জনে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলের স্কোর। ইংল্যান্ডের বোলাররা খুব একটা দাগ কাটতে পারেননি তাঁদের বোলিং-এ। দলের রান যখন ২১৪, সেই সময় মইন আলির বলে ১ রান নিয়ে টেস্টে নিজের অষ্টম শত রান পূর্ণ করেন মুরলী বিজয়। সেই সঙ্গে এই সিরিজে দ্বিতীয় শত রান করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন বিজয়। তৃতীয় উইকেটের পার্টনারশিপে ১১৬ রান যোগ হওয়ার পরে বিজয়কে তুলে নেন রশিদ। বোলার রশিদকেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বিজয় নিজের ১৩৬ রানের মাথায়।

এর পর ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নেয় ইংল্যান্ড খুব কম রানের ব্যবধানে করুন নায়ার, পার্থিব পটেল এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে। অশ্বিন যখন শূন্য রানে ফিরে যান, তখন ভারতের রান ৩০৭-৬। সেই সময় মনে হচ্ছিল, ভারত কি ইংল্যান্ডের রান টপকাতে পারবে? অধিনায়ক কোহলির সঙ্গে জুটি বাঁধেন রবীন্দ্র জাদেজা। জাদেজা যখন ২৫ রান করে রশিদের বলে আউট হয়ে ফিরে যান, ভারত তখন ইংল্যান্ডের থেকে ৩৬ রান দূরে। নামেন তরুণ অলরাউন্ডার জয়ন্ত যাদব। জয়ন্তকে সঙ্গে নিয়ে স্কোর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করে গেলেন অধিনায়ক। পূর্ণ করলেন টেস্টে ১৫তম শত রান। আরেক কৃতিত্ব ঝুলিতে ভরলেন কোহলি। তিনি পঞ্চম ভারতীয় ব্যাটসম্যান যিনি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক সিরিজে ৫০০ রান করলেন। এবং অধিনায়ক হিসাবে দ্বিতীয়, যিনি যে কোনো দলের বিরুদ্ধে এক সিরিজে ৫০০ রান করলেন। এর আগে এক মাত্র সুনীল গাভাস্করের এই কৃতিত্ব ছিল। সুনীল ১৯৭৮-৭৯-তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৭৩২ রান করেছিলেন এবং ১৯৮১-৮২-তে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫০০ রান করেছিলেন।

টেস্ট ক্রিকেট খেলতে নামা ইস্তক ভরসা জোগাচ্ছেন জয়ন্ত। এ বারেও তার ব্যত্যয় হল না। তিনি নট আউট ৩০ রানে, রয়েছেন কোহলি দেড়শো থেকে ৩ রান দূরে। দিনের শেষে ভারত ৪৫১-৭।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here