টাকা বাতিলের ঘোষণার পর বুধবার ছিল আরবিআইয়ের প্রথম মুদ্রানীতি পর্যালোচনা। নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদদের নানা বিশ্লেষণ চলছিল গত এক সপ্তাহ ধরেই। বিশ্লেষকদের অধিকাংশই মনে করেছিলেন, সরকারের নতুন নীতির পর আরবিআইয়ের রেপো রেট কমতে পারে ২৫ বেসিস পয়েন্ট। হিসেবটা মিলল না। আরবিআইয়ের গভর্নর উর্জিত প্যাটেল সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করলেন, আপাতত অপরিবর্তিত(৬.২৫) থাকছে রেপো রেট।

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক শতকরা যে পরিমাণ সুদে অন্য ব্যাঙ্কগুলোকে টাকা ধার দেয়, তাকে বলে রেপো রেট। রেট অপরিবর্তিত থাকার ফলে পরিবর্তন হবে না বাড়ি গাড়ির ঋণের সুদেও। অর্থাৎ কমবে না ইএমআই। আরবিআই-এর ঘোষণার পরপরই ১৩৮ পয়েন্টে নেমে আসে সেনসেক্স। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের জিডিপি অর্থাৎ আর্থিক বৃদ্ধির হার ৭.৬% থেকে কমে ৭.১% হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিন সাংবাদিকবৈঠকে গভর্নর প্যাটেল জানান, বাজারে আসছে ৪ লক্ষ কোটি টাকার নতুন নোট এবং ১৯১০ কোটি টাকার ছোট নোট।

অর্থনীতিবিদদের অনুমান মতো রেপো রেট কমলে কমতে পারত সুদের হার। অর্থাৎ বেসরকারি কোনো কোম্পানি অথবা কোন ব্যাক্তি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিলে, তুলনামূলক কম হত সুদের হার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here