ওয়েবডেস্ক: নিউজিল্যান্ডে আচমকা আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠায় কমপক্ষে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিউজিল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সোমবার সকালে জেগে ওঠে পর্যটনস্থল হিসেবে পরিচিত হোয়াইট দ্বীপের আগ্নেয়গিরি। নিউজিল্যান্ড প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল ৫ জনের মৃত্যুর কথা। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। ঘটনাস্থল থেকে ২৩ জনকে নিরাপদে উদ্ধার কথা হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের হোয়াইট দ্বীপ, স্থানীয় ভাষায় যা হোয়াক্কারি, তা বেশ জনপ্রিয় একটি পর্যটনস্থল। আর এখানেই অবস্থিত দেশের অন্যতম জাগ্রত আগ্নেয়গিরি। এ কথা জানেন সকলে। তবু সপ্তাহান্তে সেখানে প্রচুর ভিড় হয়। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হোয়াইট দ্বীপে আগ্নেয়গিরির লাভামুখের চার পাশেই ঘোরাঘুরি করছিলেন পর্যটকরা। গত কয়েক বছরে সেই আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠেনি বলে কারও ধারণাই ছিল না, যে তখনই সেখান থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হবে।

আরও পড়ুন চালু হতে চলেছে ঢাকা-দার্জিলিং-সিকিম বাস পরিষেবা

পর্যটকরা যখন ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তখনই শুরু হয় লাভা নিঃসরণ। উদগীরণ দেখে চমকে যান সকলে, আশেপাশে ছিটকে পড়েন সকলে। ওখানেই আটকে পড়েন তাঁরা।

নিউজিল্যান্ডের মূল ভূখণ্ড থেকে এই দ্বীপ কিছুটা দূরে হওয়ায় সেখানে উদ্ধারকারী দল পৌঁছোতে কিছুটা দেরি হয়। পাশাপাশি গোটা দ্বীপ ছাইয়ে ঢেকে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ হচ্ছেও দেরিতে।

ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন। তিনি বলেন, ”বহু পর্যটক ওখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন, যাঁদের বেশির ভাগই এ দেশেরই বাসিন্দা। বুঝতে পারছি, অনেকেই নিজেদের প্রিয়জনদের জন্য চিন্তায় পড়েছেন। কিন্তু আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, পুলিশ নিজেদের সেরাটা দিয়ে সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করার চেষ্টা করছে।”

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন