পাকিস্তানের বোম ডিস্পোজাল ইউনিটে প্রথম মহিলা রাফিয়া

0

পেশোয়ার : রক্ষণশীলতার বেড়া ভাঙছে। বোরখার মধ্যেই তাঁদের অনেকেরই গোটা জগৎ আটকে। সেই আটকে থাকার আগল ঠেলে, যে সে নয়, একেবারে বোম নিষ্ক্রিয়করণ গোষ্ঠীতে নাম লেখালেন তাঁদেরই এক জন।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার রাফিয়া কোয়াসিম বেগ, বয়স ২৯ বছর। তিনিই প্রথম পাকিস্তানি মহিলা, যিনি বোম ডিস্পোজাল ইউনিটে নিযুক্ত হলেন। সাত বছর আগে সেশন কোর্টের বাইরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাই তাঁকে এই কাজে যুক্ত হতে উৎসাহ জুগিয়েছিল। চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার পর তাঁকে পেশোয়ারের পাঠানো হয়। সেই সময় জায়গাটি সাংঘাতিক ভাবে উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল।

শিক্ষিত পরিবারের মেয়ে রাফিয়া, নিজে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস ও ইকোনমিকসে স্নাতকোত্তর পাস করেন। চাকরি করতেন ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিতে। তা ছাড়া এলএলবি-ও করছেন তিনি। রাফিয়া বছর সাতেক আগেই পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। নওসেরার এক্সপ্লোসিভ হ্যান্ডলিং স্কুলে ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে বাকি পুরুষ সদস্যদের সঙ্গে তিনিও কৃতকার্য হয়েছেন। এই গোটা প্রশিক্ষণপর্বে রাফিয়াকে শিখতে হয়েছে নানা রকমের বোমার ধরন, কোন বোমাকে কী ভাবে নিষ্ক্রিয় করতে হয়, এর সব কিছুই।

তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার ক্ষমতা যাঁদের আছে তাঁদের জন্য পুলিশবাহিনী পেশা নয়, সখ আর উৎসাহ।

উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশে প্রায় ৬০০ জন মহিলা নানা বিভাগে কাজ করছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here