ওয়াশিংটন: জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটকে (আইসিস) কী ভাবে মোকাবিলা করা হবে, তার রণনীতি ঠিক করতে  বৈঠক ডাকল ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবারের এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে চলেছে আইসিস বিরোধী অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শরিক ৬৮টি দেশের বিদেশমন্ত্রীরা।

আইসিসকে দমন করা তাঁর প্রধান লক্ষ, নির্বাচনী প্রচারে এ কথা অনেক বার ব্যক্ত করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নির্দেশেই এই বৈঠকটি ডেকেছেন মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিব রেক্স টিলেরসন। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক এবং রাশিয়ার নেতৃত্বে আলাদা আলাদা বাহিনীর দাপটে এমনিতেই এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে আইসিস।

কিছু দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বাহিনীর আইসিস-বিরোধী অভিযানে দারুণ সাফল্য পেয়েছে ইরাক। জঙ্গি সংগঠনটির হাত থেকে পুনরুদ্ধার হয়েছে মসুল-সহ আরও বেশ কয়েকটি শহর।আইসিস দমনে কী ভাবে সাফল্য আসবে এই প্রসঙ্গে আলোচনা করতে সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার-আল-আবাদি। মসুল শহরকে নতুন ভাবে তৈরি করা এবং লিবিয়ায় আইসিসের বিরুদ্ধে কী ভাবে অভিযানে নামা হবে সে সব আলোচনা হবে বুধবারের বৈঠকে। 

অন্য দিকে সিরিয়াতেও আইসিস কোণঠাসা। ইরাক সরকারের আইসিস বিরোধী অভিযানের শরিক হলেও, সিরিয়া সরকারের শরিক নয় যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া এবং ইরানের সমর্থিত বাহিনীর সাহায্যে আইসিসের বিরুদ্ধে লড়ছে সিরিয়া সরকার। অন্য দিকে কুর্দি এবং আরবের বাহিনীর সমর্থনে সিরিয়াতেই আইসিসের বিরুদ্ধে লড়ছে মার্কিন বাহিনী। যদিও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার-আল-আসাদের মতে, রুশ-ইরান সমর্থিত তাঁর বাহিনীই আইসিসের বিরুদ্ধে আসল লড়াই করছে, যুক্তরাষ্ট্র শুধু কয়েকটি তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে মাত্র। 

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন