বেজিং: দক্ষিণ চিনের পার্বত্য অঞ্চলে ১৩২ জন আরোহী নিয়ে ভেঙে পড়ল একটি বিমান। সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, কোনো আরোহীর বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স-এর ৭৩৭-৮০০ বোয়িং বিমানটি ইউনান প্রদেশের রাজধানী দক্ষিণপশ্চিম চিনের শহর কুনমিং থেকে হংকং সীমান্ত সংলগ্ন প্রদেশ গুয়াংডং-এর রাজধানী গুয়াংঝাউ যাচ্ছিল।

বিমান দুর্ঘটনায় যে সব যাত্রী ও বিমানকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বিমানসংস্থা।

বিমানসংস্থা জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে তারা উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে এবং বিমানযাত্রীদের আত্মীয়দের জন্য হটলাইনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের কথা উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানটি টুকরো হয়ে গিয়েছে এবং বিমানের আগুনে পাহাড়ের ঢালে বাঁশঝাড় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

সিভিল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না জানিয়েছে, বিমানে ১২৩ জন যাত্রী ও ৯ জন বিমানকর্মী ছিলেন। ওয়াঝাউ শহরের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বিমানটি কুনমিং ছেড়েছিল চিনা সময় দুপুর ১.১১ মিনিটে (ভোর ৫.১১ জিএমটি)। তার গুয়াংঝাউ পৌঁছোনোর কথা ছিল বিকেল ৩.০৫ মিনিটে (সকাল ৭.০৫ জিএমটি)।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরেডার২৪-এ (FlightRadar24) দেখা গিয়েছে, সকাল ৬.২০ জিএমটি-র সময় বিমানটি ২৯১০০ ফুট উচ্চতা দিয়ে যাচ্ছিল। ২ মিনিট ১৫ সেকেন্ড পরে সেটি ৯০৭৫ ফুট উচ্চতায় নেমে আসে। আরও ২০ সেকেন্ডের মধ্যে নেমে আসে ৩২২৫ ফুট উচ্চতায়।

দুর্ঘটনার সময় ওয়াঝাউ শহর আংশিক মেঘলা থাকলেও দৃশ্যমানতা ভালোই ছিল। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বিমানসংস্থা জানিয়েছে।

আরও পড়তে পারেন

‘আমি অন্য মেটিরিয়াল’, ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে মন্তব্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সংক্রমণ ৩০-এর নীচে নামল পশ্চিমবঙ্গে, আরও কমল সক্রিয় রোগী

এ বার ১৮ ঊর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ, ভাবছে কেন্দ্র

নিজের কেন্দ্রে হেরেও দ্বিতীয় বারের জন্য উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন ধামি

ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে তৈরি হচ্ছে মেছো ভেড়ি, কুলতলিতে কোদাল হাতে এগিয়ে এলেন বিধায়ক, পুলিশকর্তা

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন