indoneshian boy

গোয়া (ইন্দোনেশিয়া): কথায় আছে ঘোড়ার ডিম। যদি ঘোড়া সত্যি ডিম দিত সেটা কেমন হত? ভেতরে কী রঙের কুসুম থাকত? সাদা! হলুদ! নাকি খয়েরি বা কালো? কী জানি! এই সব আবোল তাবোলের দুনিয়াতেই ভালো কী বলুন। মিছিমিছি মাথা ঘামিয়ে কী লাভ?

কিন্তু না, মাথা তো একটু ঘামবেই। যদি শোনেন হাঁস মুরগির বা ডিম দেওয়া প্রাণীর মতো আজকাল মানুষও ডিম দিচ্ছে! তার ওপর একজন কিশোর সেই ডিম পাড়ছে!

ইন্দোনেশিয়া ১৪ বছরের এক কিশোর। নাম আকমল। তাঁর আর তাঁর পরিবারবর্গের দাবি, সে কি না দু’ বছরে মোট ২০টা ডিম পেড়েছে। এই দাবির পক্ষে তারা একটা প্রমাণও পেশ করেছে। তাতে একটা এক্সরে রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আকমলের শরীরের ভেতরে রয়েছে একটা আস্ত ডিম। ঘটনা ইন্দোনেশিয়ার গোয়ার শেখ ইউসুফ হাসপাতালের।

এই ঘটনা সম্পূর্ণ হতবাক করে দিয়েছে চিকিৎসকদেরও। চিকিৎসকরা বলছেন, এমন ঘটনা ঘটা মোটেও সম্ভব নয়। কারণ পোলট্রির ডিম একটা মানুষের ভেতরে গিয়ে সেখানে নতুন করে ডিম তৈরি করবে এটা কখনওই সম্ভব নয়। আবার একটা ছেলের শরীরে এই ভাবে ডিম নিজে থেকে তৈরি হবে, এটাও কোনও মতেই বাস্তব সম্মত নয়। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে তার পায়ূপথে একটা গোটা ডিম রয়েছে। এমনকি তাঁদের সামনেও ওই কিশোর দু’টি ডিম পেড়েছে এটাও ঠিক। কিন্তু তাতেই সন্দেহের অবসান হওয়া সম্ভব নয়, বলেই দাবি করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা আরও দাবি করছেন, ডিমটি জোর করে কোনো উপায়ে তার শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ দিকে আকমল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, সে যখন প্রথম ডিম পেড়েছিল সেটা ছিল গোটাই হলুদ। একটুও সাদা ভাব ছিল না। আর দ্বিতীয়বার গোটা ডিমটাই ছিল সাদা। চিহ্ন ছিল না হলুদের।

তাই আপাতত চিকিৎসকরা কিশোরটির ওপর কড়া নজর রেখেছেন ব্যাপারটা কী! তা ভালোভাবে বোঝার জন্য। আর যতক্ষণ না তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন ততক্ষণ আমাদের মতো তাঁদের মাথাও যে ঘামছে সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। কী বলুন?

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন