Connect with us

বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা ইরানে

তেহরান: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল ইরান (Iran)। ইরানি সেনার জেনারেল কাসেম সোলেমানির হত্যার জন্য দায়ী করে ট্রাম্প-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তেহরানে।

গত জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয় ইরানি সেনার জেনারেল কাসেম সোলেমানির। প্রাণ হারান ইরাকের পার্লামেন্টারি বাহিনীর ডেপুটি চিফ আবু মেহদি অল মুহান্দিস’ও।

এই ঘটনার পর আরও তলানিতে চলে যায় ইরান-মার্কিন সম্পর্ক। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সোলেমানির হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরাকের মার্কিন সেনা ও যৌথ বাহিনীর ব্যবহৃত দুই ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। তাতে কমপক্ষে ৮০ জন ‘মার্কিন জঙ্গি’ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেন ইরানের শীর্ষনেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই।

ইরানের সংবাদমাধ্য়ম অনুযায়ী, ইরাকে মার্কিন সেনা ও যৌথ বাহিনীকে নিশানা করে মোট ১৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল তারা। প্রসঙ্গত, সোলেমনি হত্যার পর পরই প্রকাশ্যে ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোলেমানি হত্যার বদলা হিসেবে কোনো মার্কিন নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা হলেই ইরানের আরও ৫২ জায়গায় আক্রমণ হবে জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

জানুয়ারির ওই হামলার পিছনে ট্রাম্প-সহ ৩০ জন জড়িত বলে দাবি করেছেন তেহরানের এক আইনজীবী। গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের কাছেও নোটিশ পাঠিয়েছে ইরান। তবে ফ্রান্সের লিয়ঁতে ইন্টারপোলের সদর দফতরের তরফে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্বাভাবিক ভাবেই ট্রাম্পের গ্রেফতারির কোনো প্রশ্নই নেই। কিন্তু আলকাসিম নামক ওই আইনজীবী একটা মন্তব্য করেছেন যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের মেয়াদ শেষের পরও এই মামলা চলবে। ইরানও সহজে ভুলবে না।”

এই ব্যাপারে ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউসের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিদেশ

নরেন্দ্র মোদীর ‘বিস্তারবাদী’ মন্তব্যের পর চিনের কড়া প্রতিক্রিয়া

“চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ হিসাবে দেখা, অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে তার বিরোধের বিষয়টি ভিত্তিহীন”, দাবি চিনের

ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার লাদাখ সফরে গিয়ে চিনের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তিনি পরোক্ষে চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ শক্তি হিসাবে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর চিনের তরফেও কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

এ দিন আচমকা লাদাখ সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-চিন সীমান্ত (India-China Border) উত্তেজনার মাঝে তাঁর এই সফর বেশ ইঙ্গিতবাহী। তার উপর সেখানে গিয়ে তিনি সেনাবাহিনীর উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেনার মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি ‘শত্রু’কেও নির্দিষ্ট বার্তা দেন।

কী বলল চিন?

প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরই বেজিংয়ের তরফে দূতাবাসের মুখপাত্র জি রঙ (Ji Rong) জোরালো প্রতিক্রিয়ায় জানান, “চিন শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তার ১৪টি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ১২টির সঙ্গে সীমানা নির্ধারণ করেছে। স্থল সীমান্তকে বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার বন্ধনে পরিণত করেছে। চিনকে ‘বিস্তারবাদী’ হিসাবে দেখা আদতে অতিরঞ্জিত করা এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে তার বিরোধের বিষয়টি ভিত্তিহীন”।

এর আগেই প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফর সম্পর্কে  চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।

কী বলেছেন মোদী?

চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত (Bipin Rawat) এবং সেনাপ্রধান এমএম নরবনেকে (MM Narvane) সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ লেহ-তে পৌঁছোন প্রধানমন্ত্রী। ১১ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত নিমু চেকপোস্টে হাজির হন তাঁরা। সেখানে স্থল, জল ও বায়ুসেনার জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP) আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

চিনের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে মোদী বলেন, “এখন বিকাশবাদের যুগ। ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে। বিশ্বে শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে বিস্তারবাদীরা। কিন্তু প্রতিবারই তাদের পরাস্ত হতে চেয়েছে। কারণ, সারা বিশ্ব তাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়ছে”।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলটিকে “যুদ্ধক্ষেত্র” হিসাবে বর্ণনা করেন। যা গলওয়ান উপত্যকা (Galwan Valley) থেকে খুব একটা দূরে নয়।

Continue Reading

বিদেশ

প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের প্রতিক্রিয়া

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল চিন

ওয়েবডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই শুক্রবার লাদাখ সফর করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল চিন।

চিনের বিদেশমন্ত্রক জানায়, “উত্তেজনা কমানোর জন্য” ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ উভয় পক্ষের তরফেই নেওয়া উচিত নয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।


চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত (Bipin Rawat) এবং সেনাপ্রধান এমএম নরবনেকে (MM Narvane) সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ লেহ-তে পৌঁছোন প্রধানমন্ত্রী। ১১ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত নিমু চেকপোস্টে হাজির হন তাঁরা। সেখানে স্থল, জল ও বায়ুসেনার জওয়ানদের মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP) আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সফরের নেপথ্যে

গত কয়েক মাস ধারেই পূর্ব লাদাখের একাধিক অঞ্চলে ভারত-চিন সেনার বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ লেগে রয়েছে। গত ১৫ জুন গলওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনার অতর্কিত আক্রমণে নিহত হন এক কর্নেল-সহ ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। সেই ঘটনার পর সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে দু’পক্ষই আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি।

এহেন পরিস্থিতিতে এ দিন লাদাখ সফরের পূর্বনির্ধারিত সূচি ছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই সফর স্থগিত হয়ে যায়। পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী লাদাখের উদ্দেশে যাত্রা করেন আজ ভোরে।

Continue Reading

বিদেশ

কোভিড ১৯ নিয়ে হচ্ছে পার্টি, চলছে জুয়া, আমেরিকার আলবামায়

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কত বিচিত্র এই মানুষ! করোনাভাইরাসকে (coronavirus) কেন্দ্র করে পার্টি। আর সেখান থেকে জুয়া জেতার ব্যবস্থা। অদ্ভুত শোনাচ্ছে না? বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। এ রকমটাই ঘটছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) আলবামায় (Albama)। স্থানীয় আধিকারিকরা ঘটনাটিকে প্রথমে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন নিজেরাই বলছে, বাস্তবে এই ঘটনা ঘটছে।

আলবামার টুসকালুসায় (Tuscaloosa) কোভিড ১৯ (Covid 19) পার্টির আয়োজন করছেন যুবক-যুবতীরা। পার্টিতে যোগ দেওয়া সুস্থ মানুষজন যাতে করোনায় সংক্রমিত হতে পারেন তার জন্য করোনা সংক্রমিতদের ডেকে আনা হচ্ছে। সিটি কাউন্সিলের সদস্য ম্যাকিন্সট্রি সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-কে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দমকলের অফিসারদের কাছ থেকে তিনি এই পার্টির বিষয়ে জানতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, “প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম এটা গুজব। তার পর আমরা এটা নিয়ে নানা অনুসন্ধান করি। শুধু যে ডাক্তারদের অফিস এই ঘটনা স্বীকার করেছে তা-ই নয়, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অফিস জানিয়েছে, তারাও ব্যাপারটা জানতে পেরেছেন।”

ম্যাকিন্সট্রি বলেন, এ সপ্তাহে সিটি কাউন্সিলে এক প্রেজেন্টেশনের সময় দমকল প্রধান র‍্যান্ডি স্মিথও বলেন, শহরের যুবক-যুবতীরা এ রকম পার্টি দিচ্ছেন। যিনি প্রথম করোনা-আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁকে নগদ অর্থ দেওয়া হচ্ছে।

ভাইরাসের সান্নিধ্যে এসে যিনি প্রথম করোনা-আক্রান্ত হয়েছেন বলে ডাক্তাররা বলছেন তাঁকে টিকিট বিক্রি করে পাওয়া অর্থ থেকে নগদ দেওয়া হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে শহরে ও তার আশেপাশের এলাকায় এ রকম বেশ কয়েকটা পার্টি হয়েছে। এবং এ ধরনের পার্টির সংখ্যাটা অফিসাররা যতটুকু জানেন, তার চেয়ে অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেন ম্যাকিন্সট্রি।

ম্যাকিন্সট্রি বলেন, “এ সব শুনে তো প্রচণ্ড খেপে গিয়েছিলাম। যে ব্যপারটা এত সিরিয়াস, সেই ব্যাপারটা নিয়ে এ রকম ছেলেখেলা। এটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীনতারই পরিচয় নয়, তুমি হয়তো শরীরে ভাইরাস নিয়ে বাড়ি যাবে যেখানে তোমার বাবা-মা বা দাদু-দিদা রয়েছেন।”

এ ধরনের পার্টি ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি কাউন্সিল। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে এ সপ্তাহেই অর্ডিনান্স জারি করা হয়েছে। এই অর্ডিনান্স সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

আলবামার স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সিএনএন যোগাযোগ করেছিল। তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯০০০ জন এবং এঁদের মধ্যে মারা গিয়েছেন ১ হাজার জন।

Continue Reading
Advertisement

নজরে