syu ki

নিউ ইয়র্ক: সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর তাঁর দেশের বাহিনীর অত্যাচারে সমালোচনার ঝড় নেমে এসেছে মায়ানমারের নেত্রী আং সাং সুকি-র ওপর। সম্ভবত সেই কারণেই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনের থাকছেন না তিনি। যদিও ঠিক কী কারণে থাকছেন না, সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি মায়ানমার।

গত ২৫ আগস্ট থেকে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নিরাপত্তাবাহিনীর অত্যাচারের মাত্রা চরম আকার ধারণ করে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, এখনও পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সুকি-র নোবেল শান্তি পুরস্কারও কেড়ে নেওয়ার দাবি উঠছে আন্তর্জাতিক মহলে। তাই আন্তর্জাতিক মহলকে এড়ানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত সুকি নিয়েছেন কি না, সে ব্যাপারে জল্পনা শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, পনেরো বছরের গৃহবন্দি দশা কাটিয়ে গত বছরই দেশের নেত্রী নির্বাচিত হন সুকি। নেত্রী হওয়ার কিছু দিন পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের সমস্যার সমাধান করতে তিনি বধ্যপরিকর।

সমালোচনার ভয়ে সুকি রাষ্ট্রপুঞ্জে যাচ্ছেন না, এই দাবি সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছেন তাঁর মুখপাত্র আং শিন। তাঁর কথায়, “সমালোচনার মুখোমুখি হতে কখনও ভয় পাননি সুকি। দেশের অনেক সমস্যা রয়েছে, সম্ভবত সেই কারণেই দেশ ছাড়তে চাইছেন না তিনি।” যদিও ঠিক কী কারণে সুকি যাচ্ছেন না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি আং শিন।

আরও পড়ুন: ১৯ পয়সা ঋণ মকুব, সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে চক্ষু চড়কগাছ উত্তরপ্রদেশের কৃষকের 

দিন দুয়েক আগেই মায়ানমারের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার সংগঠনের প্রধান। জাত হিসেবে খুব পরিকল্পিত ভাবে রোহিঙ্গাদের মুছে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। বুধবার মায়ানমার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক হওয়ার কথা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যা সমাধান করার জন্য যদি মায়ানমারকে নিরাপত্তা পরিষদ চাপ দেয়, তা হলে তার বিরোধিতা করে মায়ানমারের পাশেই দাঁড়াবে রাশিয়া এবং চিন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here