বালি (ইন্দোনেশিয়া) : হাওয়ার দিক বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলাল বালিদ্বীপে আটকে থাকা যাত্রী-পর্যটকদের ভাগ্যও। কয়েকটি বিমান ছাড়ার অনুমতি পেয়েছে। বালি বিমানবন্দরের কলসেন্টারের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে যাত্রীবাহী তিনটি বিমান এখান থেকে ছেড়েছে। আর বাইরে থেকে ন’টি বিমান বালিতে পৌঁচেছে। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, ডজন খানেক বিমান ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিমানগুলো সিঙ্গাপুর-সহ বিভিন্ন শহরে যাত্রীদের পৌঁছে দেবে। এ দিন বালির গভর্নর মংকু পেস্টিকা ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই মাউন্ট আগুং-এর বড়ো ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে একটা দু‌ঃশ্চিন্তা রয়েই গিয়েছে।

আরও পড়ুন : তৃতীয় দিনেও বন্ধ বালি বিমানবন্দর, বিপাকে ১ লক্ষ ২০ হাজার যাত্রী

বিমানবন্দর মুখপাত্র ইসরাওয়াদি বলেন, হাওয়ার দিক পরিবর্তন হয়েছে। এখন দক্ষিণ-পুর্ব দিকে হাওয়ার অভিমুখ ঘুরে গিযেছে। ফলে আগ্নেয়গিরি থেকে উত্থিত ঘন কালো ধোঁয়া এবং ছাই বিমানবন্দরের দিক থেকে বেশ কয়েক হাজার ফুট সরে গিয়েছে। তাই কিছুটা পরিষ্কার হয়েছে বিমানবন্দরের আকাশ। তার ফলেই বিমান ওঠা-নামা করা সম্ভব হচ্ছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার যাত্রী ইতিমধ্যেই বালি থেকে নিজেদের গন্তব্যে পাড়ি দিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, চিনের দু’টি বিমানসংস্থা বুধবার রাতে বিমান পাঠিয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ চিনা যাত্রীকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে।

পাশাপাশি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে গরুড় বিমানবন্দরও। বেশ কয়েকটি বিমান এখান থেকে অন্য শহরে যাত্রী পরিবহণ করছে।

উল্লেখ্য, এর আগেই অভিবাসন দফতর থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের ভিসার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে এই পরিস্থিতির জন্য তাঁদের বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here