obama gandhi

শিকাগো: একটানা ১০ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ক্ষমতায় থাকার পর মাস তিনেক আগে বিদায় নিয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ফুরনোর পর জনসমক্ষে এটাই ছিল তাঁর প্রথম বক্তৃতা। আর আশ্চর্যের বিষয় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সোমবারের দীর্ঘ আলাপ আলোচনায় একবারও এল না ট্রাম্পের প্রসঙ্গ। সোমবার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বেশ সপ্রতিভই ছিলেন ওবামা।

এই প্রজন্মের অল্পবয়সি ছেলেমেয়েদের নাগরিক হিসেবে কতটা দায়িত্ববান হওয়া উচিত, তা নিয়ে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথন হয় ওবামার। আলোচনার মাঝে জানালেন, আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ‘অত্যন্ত আশাবাদী’। বললেন, “পৃথিবীটাকে পালটে ফেলার জন্য ভালো নেতৃত্ব দিতে পারবে, এমন একটা প্রজন্ম তৈরি করার চেষ্টা করব, যাদের হাতে মশালটা তুলে দেওয়া যায়।”

প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিজেই জানালেন নতুন প্রজন্মকে সমাজ-সচেতন করে তুলতে শিকাগোর দক্ষিণ প্রান্তে তৈরি হচ্ছে ওবামা সেন্টার। এই অঞ্চল থেকেই সমাজসেবী হিসেবে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু হয়েছিল বারাকের।

 

সোমবারের আলোচনায় নিতান্তই ঘরোয়া মেজাজে পাওয়া গেল ডেমোক্র্যাট নেতাকে। পোশাক বাহুল্যবর্জিত, এমনকি প্রেসিডেন্ট থাকার সময় প্রোটোকল মেনে যে টাই পরতেন, সেটুকুও নেই। অল্পবয়সি পড়ুয়াদের সঙ্গে আড্ডায় নিজের রসবোধেরও পরিচয় দিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। এই প্রজন্মের সোশ্যাল মিডিয়াপ্রীতি প্রসঙ্গে ওবামা বলেন, “হাই স্কুলে থাকতে আমি যা কিছু করেছি, তার সবটুকু তোমাদের ক্যামেরায় ধরা থাকলে আমার আর প্রেসিডেন্ট হওয়াই হত না।”

ক্ষমতার মেয়াদ ফুরনোর পর মাঝের এই সময়টা কেটেছে ঘুরে, বেড়িয়ে। আগামী মাস থেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়বেন পূর্ব নির্ধারিত  নানা কাজে। মে মাসে জন এফ কেনেডি লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ‘প্রোফাইল অব কারেজ’ সম্মানে ভূষিত করা হবে ওবামাকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here