অথচ, ছুটি কাটাতে গিয়ে স্রেফ নিয়তির পেতে রাখা এমন ফাঁদেই পা দিলেন এক দল পর্যটক। জানা গিয়েছে, সদলবলে গাড়ি নিয়ে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন টেনিসির গাটলিনবুর্গে। জঙ্গলের মাঝে এক কাঠের কুটিরে নিশিযাপনের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। ফলে, জঙ্গলে পা রাখতে না রাখতেই সবাই যেন নিজেদের হারিয়ে ফেলেন প্রকৃতির জগতে। খেয়ালও করেনি যে একটা গাড়ির দরজা খোলাই থেকে গিয়েছে! তা, খেয়াল না থাকলে দোষও অবশ্য দেওয়া যায় না। সুন্দরের মাঝেই যে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে ভয়ঙ্কর, সে কথা কি আর তখন মাথায় আসার! bear কিন্তু মুগ্ধতার ঘোর আতঙ্কে পরিণত হল রাত কাটতেই! সকালে পর্যটকদের এক জন যখন আবিষ্কার করলেন- তাঁর গাড়ির মধ্যে গজরাচ্ছে একটা ক্ষুধার্ত কালো ভল্লুক! এখানেই শেষ নয়। নজরে এল, সেই গাড়িতে আটক বাচ্চাটার মা-ভল্লুকও ঘোরাঘুরি করছে গাড়ির পাশেই! এর পর শুরু হল এক অসম যুদ্ধ। এক দিকে বাচ্চাটা গাড়ির ভিতরটা ছিঁড়ে-খুঁড়ে একসা করছে, কাচ আঁচড়ে দিচ্ছে, দরজার হাতল উপড়ে আনছে! অন্য দিকে, পর্যটকদের একজন পাশেই দাঁড় করিয়ে রাখা অন্য একটা গাড়ি থেকে হাত বের করে দরজাটা খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন খুবই সন্তর্পণে! একে তো দরজাটা খোলা পেয়ে বাচ্চাটার ঝাঁরপিয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছেই! তার উপর আবার মা-ভল্লুক যে কোনো সময় হানা দিতে পারে- সেই ভয়টাও পিছু ছাড়ছে না! যা হোক, শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বাচ্চাটাকে। যে ব্যক্তি দরজাটা খোলার চেষ্টা করছিলেন, তিনিই অসাধ্য সাধন করেছেন। বিশ্বাস না হলে পর্যটকদের একজন, তানিয়া ইয়ং-এর নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ভিডিওদু’টো দেখুন না!]]>

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন