death-of-porn-stars

ওয়েবডেস্ক: মৃত্যু না হত্যা?

এই প্রশ্নটাই এখন ভাবিয়ে তুলেছে ক্যালিফোর্নিয়াকে। যার যুক্তিসঙ্গত কারণও রয়েছে বইকি! মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে যদি পর পর পাঁচ জন পর্ন-তারকার রহস্যমৃত্যুর খবর আসে, তা হলে কি আর প্রশাসন চুপ করে বসে থাকতে পারে?

জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের শেষের দিক থেকেই শুরু হয়েছে এই মৃত্যুমিছিল। যার শুরুটা হয়েছিল শাইলা স্টাইলেজের মৃত্যু দিয়ে। বিছানায় হঠাৎই এক সকালে পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁর নিথর দেহ। সেটা ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের ঘটনা।

এর ঠিক পরেই আসে অগস্ট এমস-এর মৃত্যুর খবর। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এই পর্ন-তারকা জীবনের শেষ পর্বে এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি কারখানার জগতে। ইতিপূর্বে গে ছবিতে কাজ করেছেন- এই অজুহাতে তিনি এক জনপ্রিয় পর্ন-তারকার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকার করেন। যা নিয়ে প্রয়োজনের চেয়ে কিছু বেশিই জলঘোলা হয়। প্রায় একঘরে হয়ে যান এমস পর্নদুনিয়ায়। সেই সব বিতর্কে ডিসেম্বর মাসে ইতি টেনে দেয় এমস-এর মৃত্যু। এক পার্কে সায়ানাইড বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

এর ঠিক পরেই পাওয়া গিয়েছে য়ুরিজান বেলট্রান ওরফে য়ুরি লাভের মৃত্যুর খবর। তার রেশ না ফুরোতেই জানা গেল অলিভিয়া নোভা নামে আরও এক পর্ন-তারকার পড়ে থাকা দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর লাস ভেগাসের বাড়ি থেকে।

সব শেষে ১৯ জানুয়ারির পালা। রিহ্যাবে মিলল পর্ন-তারকা অলিভিয়া লুয়ার প্রাণহীন দেহ। জানা গিয়েছে, অনেক দিন ধরেই অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। যার জেরে কাজ থেকে ছুটি নিয়ে ভর্তিও হয়েছিলেন এক রিহ্যাবে। কিন্তু অবসাদ দূর করার ওষুধ বেশি পরিমাণে খেয়ে আত্মহত্যা করলেন তিনি- এমনটাই এখনও পর্যন্ত খবর!

সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠবে, ঠিক কোন পরিস্থিতি ক্যালিফোর্নিয়ায় এই পর্নস্টারদের ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যুর মুখে? সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে যার কিছুটা হলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন আরেক পর্ন-তারকা জিঞ্জার ব্যাঙ্কস।

“আমাদের কি কেউ মানুষ বলে ভাবে? কেউ আমাদের ন্যূনতম মর্যাদাটুকুও দিতে চায় না। রাস্তায় লোকে এমন ভাবে আমাদের দিকে তাকায়, যেন আমরা চূড়ান্ত অপরাধ করি পর্ন মুভি শুট করে! মাঝে মাঝে তো নিজেদের সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন বলে মনে হয়। ঘরে-বাইরে, সব জায়গায় ছবিটা একই রকম। যা আমাদের প্রতি নিয়ত অবসাদের দিকে ঠেলে দেয়”, একটি ভিডিও মারফত বিবৃতিতে জানিয়েছেন জিঞ্জার।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন