baby

ওয়েবডেস্ক: প্রথমটায় খবরটা জেনে অনেকেই শিউরে উঠতে পারেন! ঠিক যেমনটা হয়েছিল এই দম্পতির ক্ষেত্রে। কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁরা, সত্যি দেখছেন না কি! যাই হোক, অবশেষে বাস্তবকে মেনে নিতেই হয় তাঁদের।

জানা গিয়েছে, আজারবাইজানের বাকুতে ঘটেছে এই ঘটনা। সংবাদমাধ্যমকে খবরটা দিয়েছেন বাকুর সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিকের এক চিকিৎসক। কিন্তু দেশবাসীর কুসংস্কারের শিকার হতে চান না বলে নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। শুধু তাই নয়, পাশাপাশি ওই দম্পতির পরিচয়ও প্রকাশ করেননি।

কেন এহেন লুকোছাপা? কুসংস্কারের ভয়টাই বা কোথায়?

আসলে অনেক জাতি যেমন বিশ্বাস করে যে শয়তানের গোড়ালি থাকে সামনের দিকে, তেমনই এ বিশ্বাসও প্রচলিত আছে যে শয়তানের পুরুষাঙ্গও থাকে উলটো দিকে। সেই জন্যই শিশুটির পরিবারের খবর সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে চাননি ওই চিকিৎসক। তেমনই নিজেকেও রেখেছেন সুরক্ষিত স্থানে।

অথচ বাস্তবে ঘটনাটি নেহাতই প্রকৃতির লীলা। চিকিৎসকরা সন্তানটির মায়ের গর্ভাবস্থার রিপোর্ট পরীক্ষা করে দেখেছেন যে মহিলার যমজ সন্তান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি সন্তান গর্ভেই বিনষ্ট হয়ে যায় অদ্ভুত ভাবে। সে আর বাড়তে পারেনি। কেবল তার পুরুষাঙ্গটুকুই রূপ নিয়েছিল যা জুড়ে গিয়েছে ভাইয়ের পিঠে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এরকম ঘটনা বাস্তবে বেশ বিরল। সেই জন্যই সংবাদমাধ্যমকে খবর দিলেও পরিবারটি সম্পর্কে কিছু জানাতে চাননি।

যাই হোক, সেই শিশুটির অস্ত্রোপচার না করে উপায় ছিল না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেই দুরূহ কাজটি সমাধা করেছেন, কেটে বাদ দিয়েছেন পিঠের পুরুষাঙ্গটি। জানা গিয়েছে, শিশুটি সুস্থ আছে আপাতত।

বিশ্বাস না হলে দেখে নিন ভিডিওয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here