human sacrifice

ওয়েবডেস্ক: মাত্র ১১ বছর বয়স ছিল তার। মাছ ধরতে যাচ্ছে, এই বলে গিয়েছিল বাড়িতে। আশা ছিল, দিনটা কাটবে হেসে-খেলে। কার্যত তার আর বাড়ি ফেরা হল না। পরিচিতরা প্রথমে ধর্ষণ করে, তার পর গাছের ডালে ফাঁসি দেয় উত্তর আর্জেন্তিনার স্যান্টিয়াগো দেল এস্তেরোর কুইমিলি শহরের বাসিন্দা মারিও অগাস্টিন সালতোকে। ছোটো করে মারিতো নামে যাকে ডাকতেন প্রিয়জনেরা। মৃত মারিতোর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর পর কেটে কেটে উৎসর্গ করা হয় শয়তানকে। ২০১৬ সালের এই ঘটনায় পুলিশ সম্প্রতি ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৬-র জুন মাসে পরিচিতদের সঙ্গে মাছ ধরতে যাচ্ছে বলে বাড়ি থেকে বেরোয় মারিতো। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তার খোঁজ মেলেনি। এর পর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তদন্তে নামে। যে অঞ্চলে মাছ ধরতে গিয়েছিল মারিতো, সেখানকার ঝিল থেকে উদ্ধার হয় তার ছিন্নভিন্ন দেহ। ঘটনায় সেই সময়েই মারিতোর তিন পরিচিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ, যাঁরা মারিতোর সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন।

যদিও তদন্ত বন্ধ হয়নি। ময়নাদতন্তে জানা গিয়েছিল, মৃত্যুর আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল মারিতোকে। তা থেকেই পুলিশের মনে সন্দেহ জাগে। ধৃত তিন ব্যক্তিকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জেরা করতে শুরু করে তারা। তাদের জেরায় উঠে আসে আরও ৪ ব্যক্তির নাম। মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ নামের ৫৮ বছর বয়সি এক স্কুল প্রিন্সিপাল, ৫৭ বছরের তাঁর স্ত্রী আলমিন্দা লুক্রেশিয়া দিয়া, ৪০ বছরের তাঁদের বড়ো ছেলে আলফ্রেডো এবং ৩৮ বছরের ছোটো ছেলে পাবলোকে এর পর গ্রেফতার করে পুলিশ। আপাতত তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

মৃত্যুর আগে ধর্ষণ, তার পর শ্বাসরোধ করে হত্যা এবং সবার শেষে দেহ টুকরো করার ঘটনা থেকেই পুলিশের অনুমান, শয়তানকে তুষ্ট করার জন্যই এ ভাবে হত্যা করা হয় মারিতোকে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যু-পূর্ববর্তী যৌন অত্যাচার সম্ভবত সেই শয়তান উপাসনারই অঙ্গ!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here