ব্রেক্সিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে নতুন বিপাকে!

স্বাভাবিক কারণেই বিরোধীরা চুক্তির বিপক্ষে অবস্থান করছে। কিন্তু স্বদলীয় সংসদ সদস্যদের মনোভাবও যথেষ্ট চাপে ফেলেছে থেরেসাকে

0
British PM Theresa May

ওয়েবডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে-র সরকার বুধবার আবার একটি নতুন বিপাকে পড়ল। বেক্সিট নিয়ে শুধু বিরোধীরাই নয়, তাঁর নিজের দল কনজারভেটিভ পার্টির প্রবীণ নেতৃত্বও ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাঁরা নো ডিল ব্রেক্সিট প্রশ্নে থেরেসার পাশে নেই। তাঁরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারবে না। কোনো না কোনো ভাবে ব্রিটেনকে ওই জোটের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেই হবে। ফলে আগামী সপ্তাহে সংসদে বেক্সিট চুক্তিতে যে ভোট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, সেখানে প্রত্যাখ্যাত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, সে প্রশ্নই বেশি ভাবাচ্ছে থেরেসাকে।

গত মঙ্গলবারেই কোনও চুক্তি ব্যতিরেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বের হয়ে আসার বিরোধিতাকারী সংসদ সদস্যরা চরম বাদানুবাদপূর্ণ অর্থ বিল সংশোধনের পক্ষে ভোট দেন। ওই সংশোধনী প্রস্তাবটি ৩০৮-২৯৭ ভোটে পাশ হয়। এর পর দিনই সংসদ সদস্যরা নতুন করে আঘাত দিলেন এই নো ডিল ব্রেক্সিটের মাধ্যমে। ফলে চুক্তি ছাড়াই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি পর্বেই জোর হোঁচট খেতে হল থেরেসাকে।

Loading videos...

উল্লেখ্য, ব্রেক্সিট চুক্তির উপর ঐতিহাসিক ভোটকে সামনে রেখে বুধবার থেকে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে পাঁচ দিনব্যাপী বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই বিরোধীরা চুক্তির বিপক্ষে অবস্থান করছে। কিন্তু স্বদলীয় সংসদ সদস্যদের মনোভাবও যথেষ্ট চাপে ফেলেছে থেরেসাকে।

এর আগেই ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত করা নিয়ে হোঁচট খেয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে দ্বিমতকে কেন্দ্র করে পদত্যাগ করেছেন দুই ব্রেক্সিটবিষয়ক মন্ত্রী। অন্য মন্ত্রকের কয়েকজনও সরে দাঁড়িয়েছেন। পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.