sam

ওয়েবডেস্ক: সামনাসামনি কথা বলুন আর নাই বলুন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কথোপকথনের ভঙ্গি আপনার জানা নিশ্চয়ই। টিভিতে দেখেছেন তাঁদের কথা বলতে, সংবাদমাধ্যমের খবরে পড়েছেন তাঁদের বিবৃতি। তার থেকেই এটা আপনার জানা যে সচরাচর নেতারা স্পষ্ট করে কোনো কিছুর উত্তর দেন না।

এতদিন এটাই ছিল অলিখিত নিয়ম। এবার এক ধাক্কায় ছবিটা বদলে গেল অনেকখানি। বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৈরি করে প্রযুক্তির দুনিয়ায় হইচই ফেলে দিলেন বৈজ্ঞানিকরা। তার নাম রাখা হয়েছে স্যাম।

স্যাম নামের এই রোবোটটির জনক নিক গেরিটসেন। ৪৯ বছরের নিউজিল্যান্ডের এই উদ্যোগপতির আশা, স্যাম নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জনতার মন জয় করতে পারবে। এমনকী তার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠাও অসম্ভব কিছু নয়, এমনটাই মনে করছেন তিনি।

এখন ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাপ-মায়ের উচ্চাশা থাকেই! তা নতুন কিছু নয়। সেরকম ভাবেই কি স্যামকে দেশের হবু নেতা হিসেবে কল্পনা করছেন গেরিটসেন?

ব্যাপারটা ঠিক সেরকমও নয়। গেরিটসেনের দাবি, স্যাম যে কোনো মানুষ তো বটেই, এমনকি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের চেয়েও বেশি শিক্ষিত। তেমন ভাবেই তার মেমোরিতে ভরা হয়েছে রাশি রাশি তথ্য। ফলে মানুষ না পারলেও স্যাম যে কোনো প্রশ্নের উত্তর অনেক বেশি তথ্য সহযোগে দিয়ে মন জয় করতে পারবে প্রশ্নকারীর।

গেরিটসেন জানিয়েছেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়, শিক্ষা, পুনর্বাসন সমস্যা- এই সব কিছু বিষয়েই প্রশ্ন করলে উত্তর দেবে স্যাম। এবং স্যাম তা দিচ্ছেও। ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যে কেউ কথা বলতে পারেন তার সঙ্গে।

তবে এটাও ঠিক, স্যামের জ্ঞানের পরিধি এখনও পর্যন্ত স্বল্প কিছু বিষয়েই সীমাবদ্ধ। “এই পৃথিবী বৈচিত্র্যে ভরা, অফুরন্ত তার জানার মতো বিষয়। তার উপরে আবার এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের অনেক অমিল তো রয়েছেই। যা রোবোটের জানার কথা নয়। আপাতত তাই সে সব বিষয়ে স্যামকে ওয়াকিবহাল করার চেষ্টা চলছে। আশা করছি, সব দিক থেকে তৈরি হয়ে ২০২০ সালে নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবে স্যাম ”, জানিয়েছেন গেরিটসেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here