চিন পৌঁছালেন পাক বিদেশমন্ত্রী, ভারতকে আহ্বান বেজিংয়ের

0
China-pak
প্রতীকী ছবি

বেজিং: নয়াদিল্লি জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাখ্যান করার পর পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী চিনের সমর্থন চাইতে বেজিংয়ে পৌঁছেছেন। শুক্রবার তিনি এখানে আসার পরই চিন ভারত ও পাকিস্তানকে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের বিরোধ মিটিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এ বিষয়ে অবহিত সূত্র জানায়, কাশ্মীর ইস্যুতে জোরদার সমর্থন আদায়ের জন্য মিত্র চিনের দ্বারস্থ হয়েছেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। গত সোমবার জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫এ অনুচ্ছেদ রদের কথা জানানো হয়। তার পরই উদ্ভুত টালমাটাল পরিস্থিতিতে চিনকে পাশে পেতে মরিয়া কুরেশি শুক্রবার বেজিং রয়েছেন।

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর পৃথক দু-টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুনর্গঠনের কথাও জানিয়েছে ভারত সরকার। জম্মু ও কাশ্মীম এবং লাদাখ নামে পৃথক দু-টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কথা বলা হয়। এর পরই লাদাখ নিয়ে চিনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মানস সরোবরের তীর্থযাত্রীদের আটকে দেয় চিন। তবে এ ব্যাপারে পাকিস্তানের পদক্ষেপ ছিল অভাবনীয়।

ভারত-পাকিস্তান বাণিজ্য বন্ধ, পাকিস্তান থেকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অজয় বিসরিয়াকে দিল্লিতে ফেরত পাঠানো, ৩৭০ প্রত্যাহার নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের দৃষ্টিআকর্ষণ-সহ একাধিক পদক্ষেপ নেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভারতের এই সিদ্ধান্তকে ‘এক তরফা এবং অবৈধ’ আখ্যা দিয়েই ভারত-বিরোধী মতগঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের এই সমস্ত পদক্ষেপ প্রসঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “চিন পাকিস্তানের প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ লক্ষ্য করেছে”।

এ দিন চিনের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের কাছে দেওয়া একটি লিখিত বিবৃতিতে চিনের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন,”যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা প্রয়োজন। যে কারণে আমরা ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশের উদ্দেশেই আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানে আগ্রহ দেখায়”।

[ আরও পড়ুন: কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুললেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ]

এর আগে অবশ্য চিন ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রসঙ্গকে উহ্য রেখেই জানিয়েছিল, “প্রাসঙ্গিক পক্ষের একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করা উচিত নয় এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়ানো প্রয়োজন”।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here