বেজিং: কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হতে প্রস্তুত চিন। এমনই দাবি করছে সে দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’। সংবাদপত্রে লেখা হয়েছে, কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে ‘মধ্যস্থতাকারী এবং স্থিতিশীলকারী শক্তি’ হিসেবে কাজ করবে চিন।

‘গ্লোবাল টাইমস’-এ লেখা হয়েছে, “চিনের নীতিই হল অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিতর্কে তারা নাক গলাবে না। কিন্তু তার মানে এই নয় অন্য দেশে চিনা বিনিয়োগকারীদের আবেদন অগ্রাহ্য করা হবে। ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’-এ চিন প্রচুর বিনিয়োগ করেছে, এবং চিনের নিজস্ব স্বার্থেই তারা ভারত এবংপাকিস্তানের মধ্যে চলতে থাকা কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে প্রস্তুত।”

উল্লেখ্য, পাক-অধিকৃত কাশ্মীর দিয়ে যাওয়া চিন-পাকিস্তান অর্থনীতিক করিডোরে ৫৪০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে চিন। নিজেদের কর্মীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় নিজেদের নিরাপত্তারক্ষীদের রেখেছে চিন। তাই নিজেদের স্বার্থেই এই সমস্যার সমাধান চায় চিন।

‘দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় চলতে থাকা দ্বন্দ মেটানোর জন্য বদ্ধপরিকর চিন’ শীর্ষক এই প্রবন্ধে আরও লেখা হয়েছে, “কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা চিনের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ, কিন্তু নিজেদের স্বার্থরক্ষার্থে তা করতে হবে।”

প্রসঙ্গত কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে নিজেদের মত বদলেছে চিন। আগে তাদের নীতি ছিল কোনো ভাবেই ভারত এবং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো হবে না। কিন্তু পরিস্থিতি পালটাতে শুরু করে যখন সিয়াচেন গ্লেসিয়ারের ব্যাপারে চিনকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চায় পাকিস্তান। এমনিতেও কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে চিনকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করে আসছে কাশ্মীরের বিচ্ছিনতাবাদীরা।

তবে চিনের এই ‘বার্তা’কে ভারত আদৌ গুরুত্ব দেবে না তা এখনই বলে দেওয়া যায়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here