প্রায় চারদশক পর মার্কিন-তাইওয়ান কূটনৈতিক সম্পর্কের আভাস। গত শুক্রবার মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে ফোন করেন তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতি সাই ইং-ওয়েন। আর এই ঘটনার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করেছে চিনা প্রশাসন।

১৯৭৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়েই বন্ধ হয়ে যায় আমেরিকা-তাইওয়ান কূটনৈতিক যোগাযোগ। তাইওয়ানকে বরাবরই তাদেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেই দাবি করেছে চিন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এত বছর পর আলাদা করে তাইওয়ানের রাষ্ট্রপতির সাথে ট্রাম্পের ১০ মিনিটের ফোনালাপে যথেষ্টই ক্ষুব্ধ চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই।

বিদেশমন্ত্রী অবশ্য প্রাথমিক ভাবে তাইওয়ানকেই দুষছেন পুরো ঘটনার জন্য। ধনকুবের ব্যবসায়ী ট্রাম্পের কাছে বিদেশনীতির অভিজ্ঞতা আশা করেন না তিনি, জানিয়েছেন ওয়াং। বেজিং-এ এক সভায় তিনি বলেছেন, “ তাইওয়ানের এই পদক্ষেপ মার্কিন-চিন সম্পর্ককে দুর্বল করতে পারবে না। তাইওয়ান ভবিষ্যতেও চিনের একটা দ্বীপ হয়েই থাকবে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here