cornell university

ওয়েবডেস্ক: যা দেখা যাচ্ছে, সহিষ্ণুতার মাত্রা লঙ্ঘন হচ্ছে বিশ্বের সব প্রান্তেই। প্রথম হোক বা তৃতীয়- যে কোনো বিশ্বেই পোশাক নিয়ে সমান ভাবে হেনস্তা হতে হয় মেয়েদের। যার প্রতিবাদে সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে থিসিস প্রেজেন্টেশনের সময়ে এক ঘর লোকের সামনে পোশাক খুলে ফেললেন প্রায় জনা চব্বিশ ছাত্রী।

জানা গিয়েছে, এই প্রতিবাদী আন্দোলনের নেত্রীর নাম লেটিশিয়া চায়। দিন পাঁচেক আগে তিনি ক্লাসে একটি ছোটো স্কার্ট পরে আসায় তাঁকে অধ্যাপিকার সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়। “অধ্যাপিকা ম্যাগর প্রথমেই যা জানতে চান, তা হল, তুমি কি সত্যিই এ সব পরে থাকতে চাও?” ঘটনাটি যে তারিখে ঘটেছে, সেই রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে সবটা জানিয়ে এটা লেখেন লেটিশিয়া।

কিন্তু শুধু ঘটনাটির বিবরণ দিয়েই থেমে থাকেননি তিনি। একই সঙ্গে তিনি ইউনিভার্সিটির ছাত্রীদের এক প্রতিবাদী আন্দোলনে শামিল হওয়ারও আহ্বান জানান। লেখেন নিজের ফেসবুকে- থিসিস প্রেজেন্টেশনের দিন তিনি নিজে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পোশাক খুলে শুধু অন্তর্বাসে যা বলার বলবেন! অন্যদেরও তিনি এই প্রতিবাদে যুক্ত হতে অনুরোধ করেন!

পরের ঘটনা সংক্ষিপ্ত! প্রেজেন্টেশনের দিন লেটিশিয়া যেমন দাবি করেছিলেন, তাই করে দেখালেন! পাশাপাশি, তাঁর সঙ্গে প্রতিবাদে যোগ দিলেন আরও জনা চব্বিশ ছাত্রীও।

কিন্তু অধ্যাপিকার একটি মাত্র কথাকে কেন্দ্র করে এত বিতর্ক কেন?

লেটিশিয়ার বক্তব্য, অধ্যাপিকা ম্যাগর পোশাক নিয়ে সমানে আক্রমণ করে গিয়েছিলেন তাঁকে। বলেছিলেন, “কখনও ভেবে দেখেছো তোমার এই পোশাক নিয়ে তোমার মা কী বলতে পারেন?” এও বলতে ছাড়েননি- “পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তুমি এ ভাবে পথে নেমেছো!”

তবে কর্নেল ইউনিভার্সিটির সবাই যে লেটিশিয়াকে সমর্থন করেছেন, তা নয়! অনেকেই ঘটনার পাল্টা প্রতিবাদ করে চিঠি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষকে। সেই চিঠির বয়ানে তাঁরা জানিয়েছেন, অধ্যাপিকা ম্যাগর কর্নেলের সম্পদ! তিনি কখনোই নিজের ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করতে দ্বিধা বোধ করেন না! কাজেই প্রকৃত পক্ষে কী হয়েছে, তা তদন্তের আবেদন তুলেছেন তাঁরা!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here