কসুর : মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হল পাকিস্তানের কসুরের সাত বছরের নাবালিকা জাইনাব আনসারির ধর্ষণ ও হত্যাকারীর। পাকিস্তানের অ্যান্টি-টেররিজম কোর্ট এই শাস্তি ঘোষণা করল। অপরাধীর নাম ইমরান আলি। বয়স ২৪। পুলিশ জানিয়েছে, গত এক বছরে ওই এলাকায় ১২টি এমন ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে জাইনাব-সহ মোট আটটি শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সঙ্গে আলির সম্পর্ক রয়েছে। পুলিশ ওই সব মৃতশিশুর শরীর থেকে প্রাপ্ত ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখেছে। তার সঙ্গে আলির ডিএনএ-র মিল পাওয়া গিয়েছে। সরসকারি আইনজীবী এহতিশাম কাদের শাহ বলেন, আদালত আলিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। প্রসঙ্গত জানুয়ারির মাঝামাঝি অপহৃত হয়েছিল জাইনাব। তার চার দিন পর একটা জঞ্জালের স্তুপের ওপর থেকে পাওয়া যায় জাইনাবের মৃতদেহ। ঘটনায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন  : ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে জাইনাবের খুনিদের ধরতে হবে, পুলিশকে নির্দেশ লাহৌর হাইকোর্টের

পুলিশ জানিয়েছে, ইমরান আলি জাইনাবের প্রতিবেশী। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে জানিব অপহরণের দিন আলির সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন : আট বছরের গণধর্ষিতা শিশুকন্যার মৃতদেহ মিলল জঞ্জালের স্তূপে, প্রতিবাদী জনতার উপর পুলিশের গুলি

পুলিশ আরও জানিয়েছে, কসুর এলাকায় ২০১৫ সাল থেকে শিশু অপহরণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এই জেলার ১০০-রও বেশির ওপর শিশু যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে। শিশুদের ওপর যৌন আক্রমণকারীদের একটা দলের যোগসাজশ রয়েছে এই এলাকার একটি পরিবারের সঙ্গে। এই মামলার সঙ্গে অন্তত দু’ জন যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।

স্বচ্ছাসেবক সংগঠন শাহিলের হিসেব অনুযায়ী, দিনে কম করে দশটি এমন ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয় পাকিস্তানে। এরা শিশু নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন